মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি (৬১)। সোমবার ভোরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে তাকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসা শেষে দুপুর ১টার দিকে তাকে আবার মুন্সীগঞ্জ কারাগারে ফিরিয়ে আনা হয়। বিষয়টি বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার মুহাম্মদ এনায়েত উল্ল্যাহ।
তিনি বলেন, ‘প্রায় পাঁচ মাস আগে দীপু মনিকে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে আনা হয়। তিনি অ্যালার্জির সমস্যায় ভুগছিলেন। রবিবার রাত থেকে অসুস্থবোধ করলে আজ ভোরে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন। সেখানে পাঠানো হলে ভর্তি করতে হয়নি। চিকিৎসা শেষে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় দুপুরে আবার মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়।’
মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. আরিফুজ্জামান বলেন, ‘দীপু মনি কিডনিসংক্রান্ত সমস্যায়ও ভুগছিলেন। আজ ভোর সাড়ে ৪টার দিকে হাসপাতালে আনা হয়। সকাল ৬টা পর্যন্ত সেখানে চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল।’
দীপু মনি চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রথম নারী শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে পরিচিতি পান। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হলে গ্রেফতার হন দীপু মনি। বর্তমানে একাধিক মামলায় মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে আছেন তিনি।