ধর্ষণের অভিযোগে গাজীপুর মহানগর শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি গ্রেফতার

গাজীপুর মহানগরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় কারখানা থেকে সার্ভিস (রিজাইন) বেনিফিটের টাকা তুলে দেওয়ার কথা বলে নারী পোশাকশ্রমিককে ধর্ষণের অভিযোগে শ্রমিক নেতা শফিউল আলমকে (৩০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) পুলিশ তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।

এর আগে সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ভুক্তভোগী নারী বাসন থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় অভিযান চালিয়ে শফিউল আলমকে গ্রেফতার করে।

শফিউল আলম লালমনিরহাটের আদিতমারীর চন্ডিমারী গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন এবং বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের গাজীপুর মহানগর কমিটির সভাপতি।

ভুক্তভোগী নারী শ্রমিক জানান, কোনাবাড়ি এলাকায় কেয়া কসমেটিকস পোশাক কারখানায় চাকরি করেছেন। নিয়মিত বেতন-ভাতা না পাওয়ায় শ্রম আইন মেনে চাকরি থেকে অব্যাহতি (রিজাইন) দেন। কিন্তু তার সার্ভিস (রিজাইন) বেনিফিটের পাওনা পরিশোধ করেনি কারখানা কর্তৃপক্ষ। ওই টাকা পেতে তিনি শ্রমিক নেতা শফিউল আলমের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। গত রবিবার রাত ৯টার দিকে শফিউল তাকে কল দিয়ে জানান, সার্ভিস বেনিফিটের টাকা কারখানা থেকে উঠিয়েছেন। চান্দনা চৌরাস্তায় তার কার্যালয়ে যেতে বলেন। ওই দিন রাত সোয়া ৯টায় কার্যালয়ে গেলে তাকে ধর্ষণ করা হয়। 

বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন-আর রশীদ বলেন, নারী শ্রমিকের লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ধর্ষণ মামলা হয়েছে। পরে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় অভিযান চালিয়ে শফিউল আলমকে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।