রিকশাচালক হযরত আলী, বাচ্চু মিয়া, শফিকুল, আক্রাম হোসেন, রেজাউল জানান, গত তিন বছর যাবত শ্রীপুর পৌর শহরের বিভিন্ন স্থানে প্রতিদিন ১০ টাকা করে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। শ্রীপুর শহরে তিন’শ গজের মধ্যে চাঁদা উত্তোলনের দুটি স্থান রয়েছে। রিকশা পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত কোনও স্থান নেই। তারপরও প্রতিদিন চাঁদা উত্তোলনের স্থানগুলো অতিক্রম করার সময় ১০ টাকা করে চাঁদা দিতে হয়।
তারা অভিযোগ করেন, গত তিন বছরে কোনও রিকশা বা যন্ত্রচালিত কোনও রিকশার লাইসেন্স দেওয়া হয়নি। চাঁদার কারণে বাধ্য হয়ে রিকশা ভাড়া বেশি নিতে হয়। এ নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে প্রায়ই কথা কাটাকাটি হয়।
পৌরবাসী কলেজছাত্র আমিনুল ইসলাম, ব্যবসায়ী নজরুল ইসলামসহ অনেকেই বলেন, এক’শ হাত দূরত্বের ভাড়া ১০ টাকা আবার ১৫ হাত দূরত্বের ভাড়াও ১০ টাকা দিতে হয়। ট্যাক্স আদায়ের জন্য পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে যানবাহনের জন্য ইজারা দেওয়া হলেও যাত্রীদের স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।
এ ব্যাপারে শ্রীপুর পৌরসভার সচিব মনিরুজ্জামান জানান, পৌর পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুসারে রাজস্ব আদায়ের জন্য নির্দিষ্ট কয়েকটি স্থান ইজারা দেওয়া হয়েছে। এ স্থানগুলো রিকশা পার্কিংয়ের জন্য বরাদ্দ। তবে যাত্রী উঠানামা বা পার্কিং করা হলে চাঁদা দেওয়ার বিধান রয়েছে। এ স্থানগুলো শুধু রিকশা বা তিন চাকার যানবাহনের জন্য প্রযোজ্য।
/এএইচ/