জেলা ডিবি পুলিশের ওসি আবুল কালাম চেয়ারম্যান প্রার্থী মোস্তফাসহ অন্যদের গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গোলাম মোস্তফা বিএনপি থেকে সদ্য আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। তবে আওয়ামী লীগে যোগদান করেও তিনি দলীয় মনোনয়ন পাননি। তাই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নেন।
জেলা পুলিশ সুপার বিপ্লব বিজয় তালুকদার জানিয়েছেন, গত ১২ এপ্রিলের একটি সহিংসতার ঘটনায় সদর থানায় দায়ের করা মামলায় বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী গোলাম মোস্তফাসহ বাকিদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১২ এপ্রিল শহরের উপকণ্ঠ মুক্তারপুর এলাকায় বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীর লোকজন জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ আহমেদ পাভেল, জেলা তরুণ লীগের সভাপতি মৃদুল দেওয়ান ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মৃনাল কান্তি দাসের ভাতিজা আদর দাসসহ ছয় জনকে পিটিয়ে আহত করে।
এছাড়া ওই দিন বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী গোলাম মোস্তফার মালিকানাধীন কিংফিশার নামে একটি জাল তৈরির ফ্যাক্টরি থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ।
/এনএস/ এএইচ/