অভিযানে অধিদফতরের সহকারী পরিচালক জোবায়দা খানম, সহকারী পরিচালক অশোক লাল ব্যানার্জী উপস্থিত ছিলেন।
জোবায়দা খানম জানান, ফিউচার এক্সেসসরিক্স কারখানাটির ধারণ ক্ষমতা ৬শ ৭৫ দশমিক ৮ মেট্রিকটন। কিন্তু সম্প্রতি কারখানাটি বন্ড সুবিধায় এর চেয়ে বেশি মালামাল আমদানি করেছে বলে খবর রয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আমরা বুধবার অভিযান চালিয়ে ওই পরিমাণ মালামাল দেখতে পাইনি বরং কারখানায় অনেক খালি প্যাকেট সাজিয়ে রেখে মালামাল আছে বলে প্রমাণের চেষ্টা করা হয়েছে।কারখানায় প্রায় দুই থেকে আড়াইশ’ বান্ডেল মালামাল পাওয়া যায়নি। সেগুলো খোলা বাজারে বিক্রি করা হয়েছে ধারণা করা হচ্ছে। সে হিসাবে আমাদের ধারণা দুই থেকে আড়াই কোটি টাকার কর ফাঁকি দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, রফতানিমুখী প্রতিষ্ঠান পণ্য তৈরির জন্য শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ পেয়ে থাকে। তবে শর্ত হলো, উৎপাদিত পণ্য শতভাগ রফতানি করতে হবে। এ জন্য আমদানি করা এসব কাঁচামাল নির্দিষ্ট গুদামে (বন্ডেড ওয়্যারহাউজ) রাখতে হয়। একই পণ্য যারা দেশীয় বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে আমদানি করে, তাদের নির্দিষ্ট পরিমাণে শুল্ক-কর পরিশোধ করতে হয়। কিন্তু বন্ড সুবিধায় আমদানি করা পণ্য যদি দেশের খোলা বাজারে বিক্রি করা হয় সেটা অবৈধ।
/এআর/টিএন/
আপ: এইচকে