প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভোট গণনা শেষ হওয়ার পর ফলাফল প্রকাশের আগেই টিউবওয়েল প্রতীকের প্রার্থী শামসুল হকের সমর্থকরা ভোট কেন্দ্রে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। এ সময় পুলিশ কমপক্ষে সাত রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। পরে লোকজন ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। ফলাফল প্রকাশ না করেই ব্যালট পেপারসহ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ভোট গ্রহণের মালামাল নিয়ে চলে যায়।
নিহত আবুল খসরুর বড় ভাই আজহারুল ইসলাম বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা চলে যাওয়ার পর টর্চ লাইট প্রতীকের প্রার্থী সুরুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি মিছিল বের হয়। রাত সাড়ে ৭টার দিকে মিছিল থেকে আবুল খসরু, বাবুল সিকদার ও রবিউল্লাহ রবির ওপর হামলা চালিয়ে ব্যাপক কিল, ঘুষি মারা হয়। গুরুতর আহত আবুল খসরুকে উত্তরা আধুনিক হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান তিনি।
টিউবওয়েল প্রতীকের প্রার্থী শাসুল হক অভিযোগ করে বলেন, তার কোনও সমর্থক হামলা করেনি। বিজয়ী প্রার্থীর লোকজন ভোট কেন্দ্রে হামলা করে তার বড় ভাইকে হত্যা করেছে।
দক্ষিণ বারতোপা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ঈমান আলী বলেন, হামলার সময় তার বিদ্যালয়ের ১৫টি চেয়ার ও ৪০টি বেঞ্চ ভাঙচুর করা হয়।
শ্রীপুর থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ জানান, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে আবুল খসরু মারা যান। ভোট কেন্দ্রের অস্থিতিশীল পরিবেশ মোকাবিলা করতে পুলিশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করেছে।
আরও পড়ুন:
/বিটি/