সুন্দরবন রক্ষায় উত্থাপিত ৬ দফা সুপারিশগুলো হচ্ছে- সুন্দরবন থেকে চোরাশিকারীদের অপতৎপরতা বন্ধ করা, শ্যালা নদীর নৌ রুট বন্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ ও সুন্দরবনের ভেতরের নদীগুলোতে উচ্চশক্তির ইঞ্জিনচালিত নৌযান চলাচল বন্ধ করা, সুন্দরবন এলাকার চৌদ্দ কিলোমিটারের মধ্যে রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন কাজ বন্ধ করে নিয়ম অনুযায়ী বন এলাকা থেকে পঁচিশ কিলোমিটার দূরে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা।
এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীলতা কমানো, দক্ষ জনবল সৃষ্টি ও সুষ্ঠু বন ব্যবস্থাপনা কার্যকর করার জন্য ‘উপকূল উন্নয়ন বোর্ড’ গঠন, যুগপোযোগী বন আইন ও নীতিমালা প্রনয়ণ এবং বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন সংশোধন করার সুপারিশ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে খুলনা সিটি করপোরেশনের বহিষ্কৃত মেয়র মো. মনিরুজ্জামান মনি, রেহেনা আক্তার, মাহবুব আলম বাদশা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: আঙুলের ছাপ জালিয়াতি করে সিম পুনঃনিবন্ধন
/এমও/