চুয়াডাঙ্গায় ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষকের শাস্তি দাবি

চুয়াডাঙ্গাচুয়াডাঙ্গার ঝিনুক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক আহাদ আলীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা। রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনের সামনে অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধন ও বিবেক জাগ্রত সভায় এ দাবি করা হয়।
মানবতা ফাউন্ডেশন আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহাজাহান মুকুল, সাবেক সভাপতি ও সামাজিক সংগঠন লোকমোর্চার জেলা কমিটি সভাপতি অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসেন, বর্তমান সভাপতি হেদায়েত হোসেন আসলাম, চুয়াডাঙ্গা সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ এস.এম ইস্রাফিল, মানবতা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট মানি খন্দকার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম ৭ লাখ টাকার বিনিময়ে আহাদ আলীকে চাকরি দেন এবং ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে আরও দুই লাখ টাকা নিয়েছেন। এ সময় বক্তারা নুরুল ইসলামসহ ম্যানেজিং কমিটির সবার পদত্যাগ দাবি করেন।
গত ২৯ এপ্রিল বিকেলে চুয়াডাঙ্গা ঝিনুক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আহাদ আলীর বিরুদ্ধে বাসায় ডেকে নিয়ে এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠে। এ ঘটনা বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটিকে গত ৩০ এপ্রিল জানানো হলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। গত ৫ মে ছাত্রীর ভগ্নিপতি মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি মামলা করলে পুলিশ রাতেই শিক্ষক আহাদ আলীকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠায়।

আরও পড়ুন: গণপূর্তমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত চলবে

/এসএনএইচ/এএইচ/আপ-এমও