কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপ-উপাচার্যের বিরুদ্ধে ডিগ্রি জালিয়াতির অভিযোগ


কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমানের বিরুদ্ধে পিএইচডি ডিগ্রি লাভে জালিয়াতির অভিযোগ করেছেন ইবি বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও শাপলা ফোরামের একাংশের শিক্ষকরা।
সোমবার বেলা ২টায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস কর্নারে শাহিনুর রহমানের পিএইচডি গবেষণা নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেন তারা।

ইবি শিক্ষকদের সংবাদ সম্মেলন
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, পিএইচডির জন্য সর্বোচ্চ ৫ বছর ও সর্বনিম্ন ২ বছরের সময়সীমা থাকলেও মাত্র ৫ মাস ৭ দিনে পিএইচডি গবেষণা শেষ করে ডিগ্রি নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের এই অধ্যাপক। এছাড়া পিএইচডি নিবন্ধনের আগেই গবেষণায় যোগ দেন তিনি।
সম্মেলনে শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, পিএইচডি গবেষণা শেষ করতে কমপক্ষে দুইটি সেমিনার করতে হলেও  শাহিনুর রহমান একটি সেমিনারও করেননি। এছাড়া পিএইচডি গবেষণা সম্পন্নে  ৯০ ক্রেডিট আওয়ার প্রয়োজন হলেও তিনি করেছেন মাত্র ৮ ক্রেডিট আওয়ার।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ২০০২ সালের ২৩ জুলাই ড. শাহিনুর রহমান পিএইচডি গবেষণার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেন। কিন্তু পিএইচডি গবেষণার জন্য যোগদান করেন তার আগেই, ১১ জুলাই। তিনি পিএইচডি গবেষণার থিসিস জমা দেন একই বছরের ৩ জুলাই। ওই বছরের ৩০ ডিসেম্বর ইবির ১৭১তম সিন্ডিকেটে তাকে পিএইচডি ডিগ্রি দেওয়া হয়।

এসময় উপস্থিত শিক্ষকরা জালিয়াতির দায়ে তদন্ত সাপেক্ষে উপ উপাচার্য শাহিনুর রহমানের বিচার দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সাবেক মহাসচিব অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী, শাপলা ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আরফিন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, অধ্যাপক ড. মেহের আলী, অধ্যাপক ড. আশরাফুল ইসলাম, ড. মোহাব্বত হোসেন প্রমুখ।

আরও পড়ুন: নীলফামারীর অদম্য মেধাবী ছাত্র রতন রায়
/এইচকে/