নির্যাতিতা গৃহবধূ যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।সোমবার দুপুরে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন।
নির্যাতিতা জানান, ৪ জুন অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে তার স্বামী ও তিনি চেয়ারম্যান পদে বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার হোসেনকে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেন। এ কারণে সেদিনই তাদের ওপর হামলার চেষ্টা করে মেম্বার শামসুজ্জামান বুলুর লোকজন। এ কারণে তারা সেইদিন থেকেই বাড়িছাড়া ছিলেন। রবিবার সন্ধ্যায় তারা বাড়ি ফেরেন। পরে রাতে তাদের বাড়িতে চড়াও হয়ে বুলুর সহযোগী সেকেন্দার, সবুজ, জাহাঙ্গীর, কাইছেদসহ ৭-৮ জন মিলে তার স্বামীকে মারধর করার পর তাকে ধর্ষণ করে।
ধানের শীষের প্রার্থী সরোয়ার হোসেন বলেন, ভোটের দিন বুথে ঢুকে নৌকার সমর্থক আওয়ামী লীগ কর্মী শামসুজ্জামান বুলুর লোকজন ওই গৃহবধূর সিল দেওয়া ব্যালট পেপার দেখে। তারা সেসময়ই তাদেরকে শাসায়। এই ঘটনার পর থেকে ওই পরিবারের লোকজন বাড়িছাড়া ছিল। পরে গৃহবধূকে ধর্ষণের বিষয়টি তিনি সোমবার বেলা ১১টার দিকে শোনেন।
যশোর জেনারেল হাসপাতালে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ইউসুফ আলী বলেন, ভিকটিম দাবি করেছেন তিনি গণধর্ষণের শিকার। কিন্তু পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া এখনও কিছু বলা যাচ্ছে না।
এ বিষযে শার্শা থানার ওসি মনিরুজ্জামান জানান, ঘটনাটি তিনি এই প্রথম শুনলেন। কেউ তাকে আগে বিষয়টি জানায়নি।তিনি এখন খোঁজখবর নিচ্ছেন বলে জানান।
আরও পড়ুন: আমরা আঁতকে উঠে বলি ‘লাশ কেন?’
/এআর/টিএন/
/আপ: এইচকে/