ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার ওবায়দুর রহমানের সঙ্গে তেল চুরির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে তিনি এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে স্বীকার করেন। একটি কুড়াল দিয়ে দুজনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। আদালত সিরাজুলকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কেএম আরিফুল হক জানিয়েছেন, সিরাজুল প্রথমে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তিনিসহ চারজনের জড়িত থাকার কথা বলেন। পরে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি একাই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে স্বীকার করেন। পাম্পের তেল চুরির ৮০ শতাংশ টাকা নিতেন ম্যানেজার ওবায়দুর। সম্প্রতি তিনি একটি বাড়িও নির্মাণ করেন। সিরাজুল বাড়িটি দেখে আসার পর থেকে ক্ষোভে ম্যানেজারকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
জবানবন্দিতে তিনি আরও বলেছেন, প্রথমে ম্যানেজারকে হত্যা করেন। এসময় সেখানে ঘুমিয়ে থাকা অপু টের পাওয়ায় তাকেও হত্যা করে পালিয়ে যান।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, আটক অপর তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত কিনা সেটা নিশ্চিত হবার পর তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, রবিবার রাতে যশোর-নড়াইল সড়কের বাঘারপাড়া উপজেলার চাড়াভিটা বাজারে আব্দুল বারী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার ওবায়দুর ও কলেজ ছাত্র অপুসহ তিনজন ঘুমিয়েছিলেন। ওই রাতেই খুন হন ওবায়দুর রহমান ও কলেজ ছাত্র লিজন আহমেদ অপু। হত্যাকাণ্ডের পর সিরাজুল ওই ফিলিং স্টেশন থেকে পালিয়ে যান। সোমবার গভীর রাতে সাতক্ষীরার কলারোয়ার হিজলদী গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়।
আরও পড়ুন:
তদন্তে বড় বাধা অকেজো সিসিটিভি, ১৩৯টির মধ্যে সংযোগ বিচ্ছিন্ন ১২৬টির
জঙ্গি টার্গেট এখন আরও স্পষ্ট ও সংহত
/জেবি/টিএন/আপ-এনএস/