কেএমপির বিশেষ প্রচার অভিযান

ধর্মীয় নেতাদের নিয়ে খুলনার বিভিন্ন থানায় জঙ্গি বিরোধী মতবিনিময় সভা

খুলনাদেশে একের পর এক জঙ্গি হামলা ও হত্যার প্রেক্ষাপটে খুলনায় শুক্রবার পুলিশের সাতদিনের বিশেষ অভিযান শেষ হয়েছে। এবার জঙ্গি বিরোধী সচেতনতার লক্ষ্যে ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে মতবিনিয়ম সভা শুরু করা হয়েছে। শনিবার নগরীর খুলনা ও লচণচরা থানায়, রবিবার সোনাডাঙ্গা থানায় পৃথক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। পর্যায়ক্রমে অন্য থানাগুলোতেও ধর্মীয় নেতাদের অবহিতকরণ ও সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এই সভার আয়োজন করা হবে।
কেএমপির ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু পুরোহিতদের ওপর জঙ্গি হামলা প্রতিরোধ করতে সচেতনতার জন্য সব থানায় মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হচ্ছে। বিভিন্ন মন্দির কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ পুরোহিত ও সেবায়েত যারা আছেন তাদের আমরা সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছি। অপরিচিত ও সন্দেহভাজন লোকের আনাগোনা দেখলে পুলিশে খবর দেওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। প্রত্যেকটি ধর্মীয় প্রশাসনে টহল জোরদার করা হয়েছে।

কেএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার কনক কুমার দাস বলেন, দেশব্যাপী সংখ্যালঘু পুরোহিত ও মসজিদের ইমামদের টার্গেট করে জঙ্গি কায়দায় হত্যা করা হচ্ছে। খুলনায় এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ধর্মীয় নেতাদের সজাগ থাকার জন্য মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে। নিরাপত্তার ব্যাপারে মন্দিরের পুরোহিত ও ধর্মীয় নেতাদের দাবি থাকলে তা আমরা বিবেচনায় এনে ব্যবস্থা নিচ্ছি। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সিসি ক্যামেরা লাগানোর ব্যাপারেও তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।

খুলনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, টার্গেট কিলিং ও জঙ্গি তৎপরতা বন্ধে পর্যায়ক্রমে সংখ্যালঘু নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের সব ধরনের পুলিশি সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে এই সভার আয়োজন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে খ্রিস্টান যাজক ও মসজিদের ইমামদের নিয়ে এই সভার আয়োজন করা হবে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজার উপকূলে ভাঙছে বেড়িবাঁধ, সংস্কারে দরকার ৭৬ কোটি টাকা

/বিটি/টিএন/আপ-এআর/