এদিকে, বরাবরের মত এ বছরও খুলনার মার্কেটে ভারতীয় পোশাকের চাহিদা বেশি। নানা রকম ডিজাইন আর হিন্দি সিনেমার নাম অনুসারে বেশ জনপ্রিয় ভারতীয় পোশাকগুলো। ভাল নকশা না থাকার কারণে দেশি পোশাকের চাহিদা খুবই কম।
এ বছর মেয়েদের জন্য দোকানিরা এনেছেন বাজিরাও মাস্তানি,বাগি ড্রেস, সামপুরা, লং কোটি, মাসাককালী, ওয়াইফাই, ক্যাকটাস, থ্রি ডি, বিভা, বিশাল, লকনা, আশিকী, পাখি, ফ্লোরটাচ, জয়পুরী, মাস্তানীয়া, সুইচ লন, কান্দী ভাঙ্গা, কাশিশ, ভিনয়। গত বছরের কিরণমালা, মধুমালা, মায়াপরী, পাকিস্তানি লনসহ বিভিন্ন নামের থ্রিপিস ও ফোর পিস পোশাকও ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে। ভারতীয় বিভিন্ন ধরনের ত্রি-পিস দেড় হাজার টাকা থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। ছেলেদের কালার ফুল শার্ট, চেক শার্ট, এক কালার শার্ট, জিন্স ও গ্যাবাডিং প্যান্টের পাশাপাশি বাহারি ডিজাইনের পাঞ্জাবি পছন্দের তালিকায় রয়েছে।
কেডিএ নিউমার্কেটের অ্যারোমা শপিং মলের মো. হাসান শেখ বলেন, দেশীয় পোশাকের চেয়ে ভারতীয় পোশাক বেশি পছন্দ করছে মেয়ে ক্রেতারা।
কলেজ পড়ুয়া আঞ্জুমান আরা বলেন, ঈদের পোশাকে এক ধরনের প্রতিযোগিতা থাকে। যাতে দামের চেয়েও আকৃষ্ট করার বিষয়টি প্রাধান্য পায়। প্রতিযোগিতার এ স্থানে দেশীয় পোশাক স্থান পাচ্ছে কম।
বয়রা থেকে আসা ক্রেতা সুলতানা খাতুন বলেন, ভারতীয় ত্রি-পিসের ডিজাইন ও রং ভাল লাগছে। মধ্যবিত্তদের জন্য দামও আওতার মধ্যে রয়েছে।
হাসান এন্টারপ্রাইজের জাহিদুল হাসান বলেন, শূন্য থেকে ৭ বছরের শিশুদের পোশাক বিক্রি করছেন তিনি। তার দোকানে ৩৫ টাকা থেকে শুরু করে ৩০০ টাকা দামের পোশাক রয়েছে। ঈদ উপলক্ষে বিক্রি বাড়লেও লাভ কম হচ্ছে। পণ্যের দাম গত বছরের চেয়ে একটু বেশি। তবে, গত বছরের দাম ধরে রাখার চেষ্টার কারণে তার দোকানে বিক্রি ভাল হচ্ছে।
বিক্রেতা আব্দুস সালাম বলেন, তারা শিশুদের পোশাক বিক্রি করেন। তাদের দোকানে ২৫০ টাকা থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত দামের পোশাক রয়েছে। বেচা-বিক্রিতে তারা সন্তুষ্ট।
আরও পড়ুন:
বৈচিত্র্যময় রঙিন কুর্তি
/বিটি/