রামপাল পরিদর্শনের পর ভারতীয় প্রতিনিধি দল

'সুন্দরবনের ক্ষতির বিষয়টি দেখবে বাংলাদেশ, ভারতের কিছুই করার নেই'

রামপালে ভারতীয় প্রতিনিধি দলভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব অজিত গুপ্ত বলেন, রামপালে নির্মাণাধীন বাংলাদেশ-ভারত যৌথ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রভাব ও বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের ক্ষতির বিষয়টি বাংলাদেশ সরকার দেখবে। এখানে তাদের (ভারতের) কিছুই করার নেই। তবে তারাও চান বিশ্বের একমাত্র ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের কোনও ক্ষতি না করেই বাংলাদেশের শিল্পায়ন ও অগ্রগতির জন্য পাওয়ার প্লান্ট নির্মিত হোক।

বৃহস্পতিবার রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে ভারতীয় প্রতিনিধি দলের প্রধান এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে খুলনা-মংলা রেললাইনের মূল নির্মাণ কাজ শুরু হচ্ছে। প্রকল্পের অধিগ্রহণের জমি হস্তান্তর করা হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতেই এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। ইতোমধ্যে শুরু হওয়া রূপসা নদীর ওপর ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলসেতু নির্মাণ কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।

অজিত গুপ্তের নেতৃত্বে ভারতীয় আট সদস্যের প্রতিনিধি দল বৃহস্পতিবার সকালে খুলনার লবণচরা এলাকায় রূপসা নদীর ওপর রেলসেতু নির্মাণ কাজ, রামপালের শাপমারীতে নির্মাণাধীন কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, খুলনা-মংলা রেললাইন প্রকল্প এবং বটিয়াঘাটার মাথাভাঙ্গা, রামপাল ও মংলায় পৃথক তিনটি অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্মাণকাজ পরির্দশন করেন।

প্রতিনিধি দলে ছিলেন ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব প্রেম কে নায়ার, ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশনের কর্মকর্তা দেবাঞ্জন রায় এবং প্রকল্পের বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান এক্সিম ব্যাংকের প্রতিনিধি অরুণ শর্মা, অজয় রাহা ও মি. সানি, প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মকবুল হোসেন, নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম ও ইরকনের প্রতিনিধি একে সিনহা।

আরও পড়ুন- 

/এফএস/