সুন্দরবনে আত্মসমর্পণ করা দুই বনদস্যু বাহিনীর বিরুদ্ধে দস্যুতা ও অস্ত্র আইনে করা পৃথক দুটি মামলায় তাদের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। শনিবার দুপুরে খুলনা মহানগরের বিচারিক হাকিমের আদালত এই আদেশ দেন। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন-৮ (র্যাব) এর উপ-অধিনায়ক মেজর আদনান কবির।
খুলনার দাকোপ থানার (র্যাব) উপ-সহকারী পরিচালক (ডিএডি) মো. আমজাদ হোসেন বাদী হয়ে ‘মজনু ও ইলিয়াস’ বাহিনীর ১১ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দুটি দায়ের করেন।
দস্যুতা ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরার জন্য আত্মসম্পর্ণ করা দস্যুদের মধ্যে রয়েছেন, খুলনার দৌলতপুরের পাবলা সবুজ সংঘ এলাকার বাসিন্দা মজনু বাহিনীর প্রধান মজনু গাজী, তার দলের সদস্য বাবুল হাসান, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন রহমত, মো. ইদ্রিস আলী, ইসমাঈল হোসেন, মজনু শেখ, মো. রবিউল ইসলাম, মো. আবুল কালাম আজাদ, মো. এনামুল হোসেন এবং খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরিপুর গ্রামের বাসিন্দা ইলিয়াস বাহিনীর প্রধান মো. ইলিয়াস গাজী ও তার সহযোগী মো. নাসির হোসেন। তাদের বাড়ি খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন এলাকায়।
১৫ জুলাই দুপুরে বাগেরহাটের মংলার বন্দরের বিএফডিসি জেটিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের কাছে ২৫টি দেশি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১০২০টি গুলিসহ আত্মসমর্পণ করেন বনদস্যু মজনু ও ইলিয়াস বাহিনীর ১১ সদস্য। তারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চান।
/জেবি/
আরও পড়তে পারেন : স্বরূপকাঠীর কলেজ ছাত্র ৩ বছর ধরে নিখোঁজ