ওসি হুমায়ুন কবীর বলেন, এ ঘটনায় আহতদেরকে বারবার বলা হলেও তারা নিজেরাই থানায় মামলা করতে রাজি হচ্ছে না। তবে বিষয়টির আরও তদন্ত প্রয়োজন। পুলিশি কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার রশীদুল হাসান বলেন, এ ঘটনা জঙ্গি হামলার অংশ কিনা এখনও তা স্পষ্ট নয়। আরও তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার শনিবার রাত ১২টার দিকে জীবননগর উপজেলার উথলী ইউনিয়নের একতারপুর গ্রামে বাউল আখড়ায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও তিন বাউলকে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা।
আহত ব্যক্তিরা হলেন কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার শোরুদা গ্রামের বাউল আবদুর রহিম শাহ (৬৫) ও তার স্ত্রী বুলু বেগম (৫৫) এবং ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের ফজলুর রহমান ওরফে নুরু ফকিরের স্ত্রী রুশিয়া খাতুন (৪৫)।
পরে গ্রামবাসীরা তাদের উদ্ধার করে জীবননগর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে তাদের চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রবিবার তাদেরকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল থেকে রাজশাহী রেফার্ড করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. আনিছুর রহমান জানান, আহত রশিদার গলায় ও মুখে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। এছাড়া আব্দুর রহিম ও বুলু বেগমের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: খুলনায় জুনে ৬টি খুন, ৪টি ধর্ষণের ঘটনা
/এআর/