কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইলিয়াস হোসেন দাবি করেন, বৃহস্পতিবার রাত ১টার পর তারা খবর পান, শহরতলীর তরফ নওয়াপাড়ার একটি খেজুরবাগানে দুদল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে গোলাগুলি হচ্ছে। এ খবরের ভিত্তিতে একদল পুলিশ সেখানে যায়। মাদক ব্যবসায়ীদের হটিয়ে দিতে পুলিশ ১০ রাউন্ড গুলি ছোড়ে।
‘পরে রাত ১টা ২৫ মিনিটে খেজুরবাগান তল্লাশি করে আনুমানিক ৪৫ বছর বয়সী ওই ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। তাকে উদ্ধার করে পুলিশ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন’, বলেন ওসি।
জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক ইউসুফ আলী জানান, কোতোয়ালি থানার এসআই মাহমুদুল হাসান রাত ২টা ১০ মিনিটে অজ্ঞাত ওই ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আনেন। পরীক্ষা করে দেখা যায়, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। তার বামপাশের চোখে গুলি লাগে বলে জানান ডা. ইউসুফ।
ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি পাইপগান ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে বলে দাবি করেন কোতোয়ালি থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই রকিবুজ্জামান।
এদিকে, রাতে হাসপাতালে থাকা একাধিক ব্যক্তি নিশ্চিত করেছেন, গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত ব্যক্তি শহরের বারান্দী এলাকার তালেব। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদকের ব্যবসা করে আসছিলেন। যশোর শহরে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে তিনি একনামে পরিচিত। মাদকের কারবার করায় একাধিকবার জেলও খেটেছেন তিনি। তার নামে থানায় মাদক-সংক্রান্ত একাধিক মামলা আছে। তবে নিহত ব্যক্তি যে তালেব পুলিশ তা নিশ্চিত না করায় থানায় তার নামে থাকা মামলার সংখ্যা জানা যায়নি।
আরও পড়ুন:
হবিগঞ্জে আবারও শিশু নির্যাতন (ভিডিও)
/বিটি/