২৫টি গ্রামের সবজি, ঘের ও ফসলের ক্ষেত এখন পানির নিচে। স্বরবাংহুদা ব্রিজ তলিয়ে যাওয়ায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।
রঘুনাথপুর গ্রামের বৃদ্ধ আনসার আলী জানান, পানিতে তাদের ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। এলাকায় খাদ্যাভাব দেখা দিয়েছে। বাচ্চা-কাচ্চা, গবাদিপশু নিয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন তারা।
সাদিপুর গ্রামের সুলতান আহমেদ বাবু বলেন, প্রতিদিন পানি বাড়ছে। কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়ছেন।
বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের ইউপি সদস্যা চায়না খাতুন অভিযোগ করে বলেন, আমাদের পুরো এলাকা প্লাবিত হলেও দুর্গতদের পাশে এসে দাঁড়ায়নি কেউ। সরকারি সহযোগিতাও মেলেনি।
প্লাবিত এলাকার লোকজন বলছেন, বুক সমান পানি উঠেছে ঘরবাড়িতে।
বাহাদুরপুর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান জানান, ইউনিয়নের ১২টি গ্রাম পরিদর্শন করেছেন তিনি। এর মধ্যে তলিয়ে গেছে হাজারও ঘরবাড়ি। স্বরবাংহুদা ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সেতু নির্মাণসহ এলাকায় ত্রাণ সরবরাহ জরুরি হয়ে পড়েছে বলে জানান এই জনপ্রতিনিধি।
শার্শা উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আসমাউল হুসনা বলেন, আউশ, আমন ও সবজি ক্ষেতসহ উপজেলার দেড় হাজার হেক্টর কৃষিক্ষেত ও অর্ধশত ঘের তলিয়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরি করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।
শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুস সালাম বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মাধ্যমে উপজেলার প্রতিটি গ্রামের খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। জেলা প্রশাসনকে সার্বিক অবস্থা জানানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সাহায্য চাওয়া হয়েছে। তালিকা প্রণয়নের জন্য তলিয়ে যাওয়া এলাকার চেয়ারম্যানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
/এবি/