‘কাঁচামাল তেজষ্ক্রিয়তামুক্ত না হলে মানুষ ও প্রকৃতির বিপর্যয় ঘটতে পারে’

তেজষ্ক্রিয়তা পরীক্ষা ও পরিবীক্ষণ গবেষণাগার পরিদর্শনে আমানুল্লাহ এমপি

১০ম জাতীয় সংসদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আমানউল্লাহ এমপি রবিবার দুপুরে মংলা বন্দরে নির্মাণাধীন তেজষ্ক্রিয়তা পরীক্ষণ ও পরিবীক্ষণ গবেষণাগার স্থাপন প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শনকালে বলেন, ‘পণ্যের কাঁচামাল তেজষ্ক্রিয়তামুক্ত না হলে মানুষের বিপর্যয় ঘটতে পারে। বিপর্যস্ত হতে পারে পরিবেশ।

তিনি জানান, দেশে আমদানিকৃত খাদ্যসামগ্রী ও অন্যান্য মালামাল অধিকাংশই আসে চট্রগ্রাম ও মংলা বন্দরের মাধ্যমে। তেজষ্ক্রিয়তাযুক্ত খাদ্য সামগ্রী দেশে প্রবেশ রোধে ইতোমধ্যে চট্রগ্রাম বন্দরে রেডিও অ্যাক্টিভিটি টেস্টিং অ্যান্ড মনিটরিং ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু মংলা বন্দরে পণ্য আমদানি বৃদ্ধি পেলেও এখানে কোনও ল্যাবরেটরি না থাকায় খাদ্য সামগ্রী ও অন্যান্য পণ্যের তেজষ্ক্রিয়তা ও বিকীরণের মাত্রা পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। এ জন্য মংলা বন্দরে এ ল্যাবরেটরি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ সময় তিনি জানান পর্যায়ক্রমে দেশের সকল নৌবন্দর ও স্থলবন্দরে ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হবে। তিনি সিডিউল মোতাবেক নির্মাণ কাজ শেষ করার জন্য বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনকে অনুরোধ জানান।

পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ আনবিক শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার এম আলী জুলকারনাইন,  সদস্য মাহমুদুল হাসান, চীফ ইঞ্জিনিয়ার এবং সদস্য (ইঞ্জিনিয়ারিং) ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মঞ্জুরুল হক  এবং প্রকল্প পরিচালক এ এস এম হাবিবুল্লাহ খান উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, এ ল্যাবরেটরি স্থাপনের মূল উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন হাসপাতাল, শিল্প প্রতিষ্ঠান এবং অয়েল ও গ্যাস কোম্পানির জন্য আমদানি করা বিভিন্ন দ্রব্যাদির নিরাপত্তা প্রদান। এছাড়া মংলা বন্দরের মাধ্যমে আমদানি করা খাদ্যসামগ্রী এবং অন্যান্য পণ্যের তেজষ্ক্রিয়তা ও বিকিরণের মাত্রা পরীক্ষণসহ খুলনা বিভাগ ও এর পার্শ্ববতী এলাকায় স্থায়ীভাবে উৎপাদিত খাদ্যদ্রব্য ও পরিবেশের সাথে সংশ্লিষ্ট বস্তুসামগ্রীর পারমাণবিক বিকিরণের মাত্রাও নিরূপণ করা হবে।

/এইচকে/

পড়ুন: খুলনায় নিজামীর গায়েবানা জানাজার ইমাম জামায়াত নেতা গ্রেফতার