বেনাপোল ইমিগ্রেশনে জিকা ভাইরাস আতঙ্ক, সতর্কতা জারি

সিঙ্গাপুর এবং মালয়েশিয়ায় জিকা ভাইরাস শনাক্তের জেরে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনে জিকা ভাইরাস আতঙ্ক বিরাজ করছে। সোমবার সকাল থেকে বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের স্বাস্থ্যকর্মীরা অধিক সতর্কতা অবলম্বন করছেন। বাংলাদেশের অন্যান্য ইমিগ্রেশন চেকপোস্টেও একই সতর্কতা অবলম্বনের জন্য বলা হয়েছে।

বেনাপোল ইমিগ্রেশনজানা গেছে, সতর্কতা জারির পরপরই বেনাপোল ইমিগ্রেশনে একটি মেডিক্যাল টিম বিদেশি নারী যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার কাজ শুরু করেছেন। বর্তমানে নতুন করে কয়েকটি দেশে জিকা ভাইরাসে কয়েকজন আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এজন্যই নতুন করে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, জিকা ভাইরাস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। এতে গর্ভবতী নারীরাই সাধারণত আক্রান্ত হন। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে এই ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল।
ইমিগ্রেশনের সহকারী মেডিক্যাল কর্মকর্তা প্রণয় বাবু জানান, বেনাপোল দিয়ে প্রতিদিন চার থেকে সাড়ে চারহাজার যাত্রী চিকিৎসা, ব্যবসা ও ভ্রমণের কাজে যাতায়াত করেন। এর মধ্যে বিদেশি যাত্রীও আছে। জিকা ভাইরাস আক্রান্ত নারীদের কেউ কোনওভাবে যাতে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারেন এজন্য তারা সতর্ক রয়েছেন।

তিনি আরও জানান, ভারত হয়ে যেসব বিদেশিরা বিশেষ করে নারীরা বাংলাদেশে আসছেন, তাদের দেশে ঢোকার আগমুহূর্তে শরীরের তাপমাত্রাসহ কয়েকটি পরীক্ষা করা হচ্ছে। এজন্য ইমিগ্রেশনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে থার্মাল স্ক্যানার স্থাপন করা হয়েছে। এতে সহজে এ ভাইরাস শনাক্ত করা যায়।

বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইকবাল হাসান জানান, যে সমস্ত বিদেশি নারী পাসপোর্টযোগে বাংলাদেশে আসছেন তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে যাচাইবাচাই করে পাসপোর্টে সিল মারার অনুমতি প্রদান করা হচ্ছে। ইমিগ্রেশনের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যকর্মীদের সবধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।

/এমও/