২৪ বছর আগের মামলা থেকে খালাস জাপার মহাসচিব

ruhul_2008২৪ বছর আগে যশোরের অভয়নগর থানায় দুদকের দায়ের করা একটি মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার। বৃহস্পতিবার যশোরের স্পেশাল জজ (জেলা জজ )আদালতের বিচারক নিতাই চন্দ্র সাহা মামলার দুই আসামির কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় দুজনকেই খালাস দেন।

খালাস পাওয়া অপর আসামি হলেন, যশোরের অভয়নগর উপজেলার রাষ্ট্রায়ত্ত্ব বেঙ্গল টেক্সটাইল মিলের সাবেক চিফ টাইম কিপার মীর শহিদুল্লাহ।

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, মীর শহিদুল্লাহ বেঙ্গল টেক্সটাইল মিলের সাবেক চিফ টাইম কিপার ও সিবিএর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি বেঙ্গল টেক্সটাইল মিলে চাকরি করার সময় ১৯৮৮ সালের ৬ মে চাকরিচ্যুত হন। পরে তিনি বস্ত্র ও শিল্প করপোরেশনে আপিল করে ১৯৮৯ সালের ১৭ আগস্ট চাকরি ফিরে পান। এ সংক্রান্ত একটি আদেশে উল্লেখ করা ছিল যে, চাকরিচ্যুতকালীন তিনি কোনও বেতন-ভাতা পাবেন না। ২৩ আগস্ট তিনি মিলে যোগদান করেন এবং সিবিএর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরে ক্ষমতার অপব্যবহার করে মীর শহিদুল্লাহ মিলের হিসাব বিভাগ থেকে চাকরিচ্যুতকালীন বেতন-ভাতার ১ লাখ ৬১১ টাকা তুলে নেন।

এ ব্যাপারে ১৯৯২ সালে ২৮ আগস্ট দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পক্ষ থেকে অভয়নগর থানায় একটি মামলা করা হয়। মামলায় মীর শহিদুল্লাহ এবং ওই মিলের সাবেক মহাব্যবস্থাপক নূরুল ইসলামকে আসামি করা হয়। পরে ১৯৯৪ সালের ১৪ নভেম্বর জমা দেওয়া এ মামলার অভিযোগপত্রে সাবেক বস্ত্রমন্ত্রী এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারকে নতুন করে আসামি করা হয় এবং মিলের মহাব্যবস্থাপক নূরুল ইসলামকে আসামির তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়।

মামলার আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুব আলম বাচ্চু বলেন, ‘অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার দুই আসামিকেই আদালত বেকসুর খালাস দিয়েছেন।’

/এমডিপি/