বেনাপোল স্থলবন্দরে অগ্নিকাণ্ডের কারণ সঠিকভাবে না জানালেও, প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিট থেকে তা সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির প্রধান ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব সাফায়েত হোসেন। একইসঙ্গে বন্দর কর্মকর্তাদের অবহেলা ও অব্যবস্থাপনার বিষয়টিকেও কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।
বুধবার বেলা ৪ টার সময় বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট যাত্রী টার্মিনালের বন্দর মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা জানান এ বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির এই প্রধান।
তিনি বলেন, কেমিক্যাল শেড থাকার পরও কেন এ শেডে তুলার সাথে কেমিক্যাল রাখা হলো তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও জানান, তদন্তে এ পর্যন্ত পণ্যের ১৩৭টি চালান আগুনে পুড়ে গেছে। বাংলাদেশি টাকায় এতে ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৮ কোটি ৫০ লাখ ৬৪ হাজার ৫২৬ টাকা। আরও কোনও পণ্য ছিল কিনা তা পাওয়া গেলে এর সাথে সংযুক্ত করা হবে। বন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারসহ সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, কেপিআই জোনের জন্য প্রয়োজনীয় সব কিছু করার ব্যাপারে তাদের তদন্ত রিপোর্টে উল্লেখ করা হবে বলে তিনি জানান।
বেনাপোল বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নে কিছুটা অব্যবস্থাপনা রয়েছে যা আমরা উপলব্ধি করতে পেরেছি। এ নিয়ে আমরা ঢাকায় বসে আলোচনা করব। ক্ষতিপূরণের ব্যাপারে বীমা কোম্পানী ক্ষতিপূরণ বিষয়টি দেখবেন বলে তিনি জানান। এছাড়া বন্দরের গেটের সংখ্যা কমানো ও পিছনের সড়কটি চার লেনে রুপান্তরিত করার ব্যাপারে তদন্ত কমিটির রিপোর্টে সুপারিশ করা হবে।
এ সময় তদন্ত কমিটির সদস্য স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব হাবিবুর রহমান, যশোর জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুস সালাম ও ফায়ার সার্ভিস যশোরের সহকারী পরিচালক পরিমল চন্দ্র কুণ্ডু ও ফায়ার সাভির্সের তদন্ত কমিটির প্রধান রাজশাহী অঞ্চলের উপ-পরিচারক নুরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
/এইচকে/