স্মারকলিপিতে ভবদহের জলাবদ্ধ সংকট নিরসনে ১৬টি দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে জরুরি ভিত্তিতে ভবদহে অঞ্চলে আরও তিনটি স্কাভেটর দিয়ে পানি নিষ্কাশন, অবিলম্বে আমডাঙ্গা খাল প্রশস্ত করে রাজাপুর খালের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন, আগামী মাঘী পূর্ণিমার আগেই বিল কপালিয়ায় টিআরএম চালু, খেতমজুর, গরিব, ক্ষতিগ্রস্তদের খাদ্য নিরাপত্তা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা, পাউবোর দুর্নীতি-অনিয়ম বন্ধ ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং টেকা-মুক্তেরশ্বরী নদীর উজানে ভৈরব-মাথাভাঙ্গা নদীর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন।
স্মারলিপিতে ১০ দফা সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কপালিয়া বিলের সমগ্র এলাকা টিআরএমের আওতায় আনা, আরএস রেকর্ডের পর্চার ভিত্তিতে দ্রুত ফসলের ক্ষতিপূরণ, কাগজপত্র ইউনিয়ন অফিস থেকে নেওয়ার ব্যবস্থা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে টাকা প্রদানের দীর্ঘসূত্রতা অবসান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন ও বিলে বিদ্যমান দুটি খাল সংস্কার, উত্তর ও দক্ষিণ পাশে গ্রাম রক্ষা বাঁধ তৈরি, বিলের ভাগ চাষি ও দিন মজুরদের ভিজিএফ কার্ড প্রদান ও মাছ ধরার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ এবং ভবদহ সংশ্লিষ্ট এলাকার নদী-খাল, বিল সংস্কার ও বিলের অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের অপসারণ প্রভৃতি।
মানববন্ধন চলাকালে আয়োজিত সমাবেশে বক্তৃতা করেন সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক ও ওয়ার্কার্স পার্টির পলিট ব্যুরোর সদস্য ইকবাল কবির জাহিদ, খুলনা জেলা সাধারণ সম্পাদক মিনা মিজানুর রহমান, সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক রনজিৎ বাওয়ালী, সমন্বয়ক বৈকুণ্ঠ বিহারী রায়, সদস্য সচিব চৈতন্য কুমার পাল, গাজী আব্দুল হামিদ, জাকির হোসেন, ইন্তাজ আলী, বাবর আলী, বাদল মোল্লা, মাসুদ হাসান, শিবপদ বিশ্বাস, কানু বিশ্বাস, উৎপল বিশ্বাস, ইলিয়াস হোসেন, আমেনা বেগম, নওশের গাজী, সমিরন পাড়ে, অনুপম হীরা।
উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা মফিদুল ইসলাম, পানি অধিকার কমিটির হুমায়ূন কবির ববি, এ্যাওসেডের শামীম আরেফীন, বেলার মাহফুজুর রহমান মুকুল, পরিবর্তনের নাজমুল আযম ডেভিড, অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।
আরও পড়ুন:
দেশের স্বার্থ রক্ষা করেই মুহুরীর চরের বিরোধ মীমাংসা করা হবে
/বিটি/