সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ডিলার তরিকুল ও মাসুদ সেপ্টেম্বর মাসের ১২ মেট্রিক টন চাল উত্তোলন করে কালো বাজারে বিক্রি করে দেন। এ খবরে মঙ্গলবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাবিবুর রহমান দুই ইউনিয়নে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং ঘটনার প্রমাণ পান। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রিফায়েতপুর ও মথুরাপুর ইউনিয়নের ডিলার তরিকুল ইসলাম ও মাসুদ রানার ডিলারশিপ বাতিল করা হয়।
দৌলতপুর খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী বলেন, ‘‘হতদরিদ্রদের চাল তাদের মাঝে বিক্রি না করায় এবং দরিদ্রদের পরিবর্তে ধনীদের নামে ‘ফেয়ার প্রাইস’ কার্ড সরবরাহ হওয়ায় ডিলার তরিকুল ও মাসুদ রানার ডিলারশিপ বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া দৌলতপুরের ১৪ ইউনিয়নে ‘ফেয়ার প্রাইস’ কার্ড নতুন করে যাচাই করা হবে। যাচাই-বাছাইয়ের জন্য দৌলতপুর যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাকে প্রধান করে ৩ সদস্যের কমিটি করা হয়েছে।’
দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তৌফিকুর রহমান জানান, ‘‘১০ টাকা কেজির চাল বিক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগ হওয়ায় নতুন করে দৌলতপুর উপজেলার ১৪ ইউনিয়নে ‘ফেয়ার প্রাইস’ কার্ডের যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই শেষে অক্টোবর মাসের চাল হতদরিদ্রের মাঝে সরবরাহ করা হবে।’’
/এমএনএইচ/