অভিযোগপত্রে বলা হয়, পেড়িখালী ইউনিয়নের সিংগড়বুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাটের জন্য গত ১ মার্চ বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের ত্রাণ শাখা থেকে ২০ মেট্রিক টন গম উত্তোলন করা হয়। কিন্তু মাঠে কোনও কাজ না করিয়ে ভুয়া মাস্টাররোলের মাধ্যমে তা সসম্পূর্ণ আত্মসাৎ করেন। এই গমের দাম প্রায় ৬ লাখ টাকা বলে উল্লেখ করা হয়।
রফিকুল ইসলাম বাবুল ছাড়াও ওই প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও সিংগড়বুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সাইফ উদ্দিন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য ও ৪নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য নিখিল চন্দ্র মণ্ডল, শাহাদাত মাঝি (খোকন), নাজিম হাওলাদার ও সালাম হাওলাদারের নামে অভিযোগ আনা হয়েছে।
প্রধান শিক্ষক ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মো. সাইফ উদ্দিন বলেন, ‘আমরা সরকারি চাকরি করি। যা কিছু হয়েছে, সব করেছেন মেম্বর ( ইউপি সদস্য)।’
পেড়িখালী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য নিখিল চন্দ্র মণ্ডল বলেন, ‘বিদ্যালয়ের মাঠে অনেক মাটির কাজ করা হয়েছে। এর উপর বিআইডব্লিউটিএ ড্রেজার দিয়ে কিছু মাটি ফেলেছে।’ ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবুল বলেন, ‘সরেজমিনে স্কুলের মাঠ ভরাট অবস্থায় দেখেছি। তবে কিভাবে এই মাটি ভরাট হলো, তা আমার দেখার বিষয় নয়।’
বিআইডব্লিটিএ’র নির্ভরযোগ্য সুত্র জানায়, স্কুলের মাঠে মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেলের খননকৃত মাটি সেখানে ফেলা হয়েছে।
রামপাল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জিএম সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘বিআইডব্লিউটিএ কোনও মাটি ভরেছে কিনা, আমার জানা নেই।’
/এআরএল/আপ-এআর/