দুর্গা পূজা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব হলেও মাগুরা এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। ৬৫ বছরের ধারাবাহিকতায় কাত্যায়নী পূজাই এখন মাগুরার প্রধান ধর্মীয় উৎসব। একইসঙ্গে মাগুরার কাত্যায়নী উৎসব সারাবিশ্বের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে বিশেষ আগ্রহের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের বিভিন্ন জেলাসহ ভারত ও নেপাল থেকেও দর্শনার্থীদের আগমন ঘটে এ উৎসবে। ধর্ম-বর্ণ নির্মিমেষে লাখ লাখ মানুষের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে এ উৎসব।
৬৫ বছর আগে মাগুরার পারনান্দুয়ালী এলাকার সতীশ মাঝি প্রথম এই উৎসবের সূচনা করেন। ধীরে ধীরে তা মাগুরার হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসবে পরিণত হয়ে ওঠে।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব কুণ্ডু বলেন, ‘সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা আমাদেরকে থামাতে পারেনি। এ বছর মাগুরা শহরে ১৩টি মণ্ডপসহ জেলায় ৮৭টি মণ্ডপে পূজা হচ্ছে যা অতীতের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।’
হিন্দুশাস্ত্র মতে, দাপর যুগে ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে পিতা,পতি,সন্তান অথবা প্রভু’ হিসেবে পেতে কার্তিক মাসে গোপীবালারা যমুনা নদীর তীরে প্রার্থনা করতেন। মূলত সেখান থেকেই কাত্যায়নী পূজার উদ্ভব। দুর্গা পূজার মত এ উৎসবও পাঁচদিন ধরে হয় এবং পূজার মূর্তিগুলিও অবিকল দুর্গা পূজার মতই।
কাত্যায়নী উৎসব পাঁচ দিনে শেষ হলেও উৎসব উপলক্ষে মেলা চলবে মাসব্যাপী।
/বিটি/