সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন নির্বাসখোলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আমির হোসেন, বল্লা গ্রামের তাইজেল ওরফে তরিকুল ইসলাম, সাদেক ওরফে ঠুঁটে সাদেক, মণিরামপুরের কায়েমকোলা এলাকার শামছুল ওরফে শামছুল আলম ও সদর উপজেলার রুদ্রপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেন।
সরকারপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন স্পেশাল পিপি এসএম বদরুজ্জামান পলাশ।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ১৯৯৭ সালের ১২ জানুয়ারি সন্ধ্যায় বল্লা বাজার হাই স্কুল মাঠে টেপির বাঁওড় নিয়ে বিরোধ মীমাংসার জন্য একটি সালিশ বসে। সালিশে আশপাশের কয়েক গ্রামের লোক জড়ো হয়। সালিশ চলাকালে রাত সাড়ে ৯টার দিকে একদল লোক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের ঘিরে ফেলে। এ সময় তারা কাউকে নড়াচড়া করতে নিষেধ করে। এরমধ্যে সিরাজুল ইসলাম উঠে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় একজন তাকে কুপিয়ে জখম করে। এরপর দৌড়াতে থাকলে তাকে ধাওয়া করে গুলি ও কুপিয়ে ঘটনাস্থলেই হত্যা করে।
এ ব্যাপারে নিহতের ভাই জাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে সাতজনের নাম উল্লেখসহ অপরিচিত আরও ৭/৮জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
তদন্ত শেষে ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে ১৯৯৮ সালের ২মে আদলতে চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আসলাম খান।
২০০৩ সালে ওই ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জ গঠন করে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করেন আদালত। দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক পাঁচ আসামির যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।
অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আসামি আবু তালেব, আব্দুস সাত্তার, হাতেম, শাহাদত, আবুল কাশেম, রফিকুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান, ও আশরাফুল ইসলামকে খালাস দিয়েছেন বিচারক।
আসামি শওকত আলী ও ইশারত আলীর মৃত্যু হওয়ায় তাদেরকে আগেই অব্যাহতি দেওয়া হয়। আসামিদের মধ্যে সাজাপ্রাপ্ত শামছুল ও ইসমাইল হোসেন পলাতক রয়েছেন।
আরও পড়ুন:
ইভটিজিং: স্কুল-কলেজে আবারও সক্রিয় হচ্ছে ভ্রাম্যমাণ আদালত
/বিটি/