সরেজমিনে দেখা যায়, থানার প্রধান ফটক আটকে দিয়ে গেটের পাশেই একজন সাব ইন্সপেক্টরকে বসিয়ে পাস দেওয়া হচ্ছে। সেখানে নাম পরিচয় ও থানার আসার কারণ উল্লেখ করে সাধারণ মানুষকে ভেতরে প্রবেশের অনুমতি নিতে হচ্ছে। আর সাংবাদিকদের বলা হচ্ছে, ওপরের অনুমতি ছাড়া কোনোভাবেই প্রবেশ করা যাবে না।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এক যুবককে যশোর কোতোয়ালি থানার ভেতরে দুটি টেবিলের মাঝখানে মোটা একটি লাঠির মাধ্যমে উল্টো করে ঝুলিয়ে নির্যাতনের একটি ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু ছবিটি কার এবং কী কারণে তাকে থানায় এভাবে রাখা হয়েছে- সে বিষয়ে কোনও কিছু জানা সম্ভব হয়নি।
পরে জানা যায়, ওই যুবকের নাম আবু সাঈদ। বাড়ি যশোর সদরের তালবাড়িয়া কলেজপাড়ায়। ‘দুই লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের’জন্য তাকে এভাবে নির্যাতন করা হয় বলে গুঞ্জন ওঠে। পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে ৫০ হাজার টাকা পেয়ে একদিন পরেই ওই যুবককে ছেড়ে দেওয়ার। তবে পুলিশ এবং ‘সেই যুবক’ আবু সাঈদ (৩২) সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। কিন্তু কোন যুবককে এভাবে নির্যাতন করা হয়েছে, সে নিয়ে কথা বলতেই রাজি হননি পুলিশ কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন-
সুন্দরগঞ্জের সব রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডেই জামায়াত জড়িত!
/এমও/এফএস/