থানায় যুবককে নির্যাতন: সাংবাদিকদের সঙ্গে তদন্ত কমিটির মত বিনিময়

 

যশোর কোতোয়ালি থানায় যুবককে উল্টো করে ঝুলিয়ে নির্যাতনের ঘটনার সচিত্র প্রতিবেদন বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি সোমবার দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন।Jessore-Pic-youth-torture-committee

গত ৫ জানুয়ারি ফেসবুক ও কয়েকটি অনলাইনে সংবাদ প্রকাশ এবং নির্যাতনের ছবিটি ভাইরাল হয়। এরপর পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সেই তদন্ত কমিটি সোমবার সংবাদ সংক্রান্ত বিষয়ে পাঁচ সাংবাদিকের সঙ্গে মত বিনিময় করেছেন।

সোমবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরের ভিআইপি লাউঞ্জে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহিদ আবু মো. সরওয়ার ও নাইমুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকু ও সেক্রেটারি এসএম তৌহিদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

যে পাঁচ সাংবাদিকের সঙ্গে তদন্ত কমিটি কথা বলেন তারা হলেন- দৈনিক খুলনাঞ্চলের যশোর অফিস ইনচার্জ সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরের সেক্রেটারি এম. আইউব, দৈনিক প্রথম আলোর যশোর প্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম, দৈনিক যুগান্তরের ইন্দ্রজিত রায়, দ্য রিপোর্ট টোয়েন্টিফোর ডটকমের দেবু মল্লিক ও বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের উত্তম কুমার ঘোষ।

তদন্তকারী কর্মকর্তারা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে কথা বলেন এবং তদন্ত কাজে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এক যুবককে যশোর কোতোয়ালি থানার ভেতরে দুটি টেবিলের মাঝখানে মোটা একটি লাঠির মাধ্যমে উল্টো করে ঝুলিয়ে নির্যাতনের একটি ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু ছবিটি কার এবং কী কারণে তাকে থানায় এভাবে রাখা হয়েছে- সে বিষয়ে কোনও কিছু জানা সম্ভব হয়নি।

পরে জানা যায়, ওই যুবকের নাম আবু সাঈদ। বাড়ি যশোর সদরের তালবাড়িয়া কলেজপাড়ায়। ‘দুই লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের’জন্য তাকে এভাবে নির্যাতন করা হয় বলে গুঞ্জন ওঠে। পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে ৫০ হাজার টাকা পেয়ে একদিন পরেই ওই যুবককে ছেড়ে দেওয়ার। তবে পুলিশ এবং ‘সেই যুবক’ আবু সাঈদ (৩২) সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। কিন্তু কোন যুবককে এভাবে নির্যাতন করা হয়েছে, সে নিয়ে কথা বলতেই রাজি হননি পুলিশ কর্মকর্তারা।

/এআর/