অ্যাড. আবু বকর, এপিপি জানান, মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সৈয়দ ফিরোজুর রহমান অনুপস্থিত থাকায় তার পক্ষে তিনি চার্জ শুনানির জন্য আদালতে সময় আবেদন করেন। আদালত ওই আবেদন মঞ্জুর করেন।
একইসঙ্গে প্রধান আসামি জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সুমন সেন, জেলা সমবায় লীগের সাধারণ সম্পাদক তৈয়বুর রহমান তোতা ও আয়নাল শেখের পক্ষে মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন শুনানির দিনও ধার্য ছিল।
এর আগেও রাষ্ট্রপক্ষ চার্জ গঠনের শুনাজির জন্য সময় নিয়েছিল। যে কারণে বিজ্ঞ বিচারক শেষবারের মত আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি চার্জ গঠন শুনানি ও আসামিদের অব্যাহতির শুনানির দিন ধার্য করেছেন বলে জানান সুমন সেনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রতন মিত্র জীবন।
বুধবার এ মামলার চার্জশিটভুক্ত ১৭ আসামির মধ্যে জামিনে থাকা ১৩ জন, জেল হাজত থেকে তিন জন আদালতের কাঠগড়ায় হাজির ছিলেন। অপর এক আসামি আজিবর শেখ এর আগে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।
অপরদিকে মামলার বাদী রুবেল ভুইয়া এবং মায়ের গর্ভে থাকা অবস্থায় গুলিবিদ্ধ শিশু সুরাইয়া ও মা নাজমা বেগমও আদালতে হাজির হয়েছিলেন।
উল্লেখ্য ২০১৫ সালের ২৩ জুলাই মাগুরা শহরের দোয়ারপাড় এলাকায় মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজিতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংর্ঘষে মোমিন ভুইয়া নামের একজন নিহত এবং ৮ মাসের গর্ভবতী নাজমা বেগম পেটে গুলিবিদ্ধ হন। ওই দিন রাতেই মাগুরা সদর হাসপাতালে মাতৃগর্ভ থেকে গুলিবিদ্ধ কন্যা সুরাইয়া জন্ম নেয়। এই ঘটনায় দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি হয়। পরে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপে শিশুকন্যা সুরাইয়া ও মা নাজমা বেগমকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বিশেষ তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ্য করা হয়।
/এফএস/
আরও পড়ুন-