স্থানীয় বাস শ্রমিকরা জানায়, ওই বাসের নির্ধারিত চালক ছিলেন চৌগাছার চাঁদপাড়া গ্রামের বুদো দফাদারের ছেলে ইব্রাহিম। তিনি নিজে না চালিয়ে হেলপারকে বলেন বাসটি শহরে আনার জন্যে। সেখান থেকে তিনি বাসে উঠতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তার আগেই বাসটি দুর্ঘটনায় পড়ে এবং হতাহতের এই ঘটনা ঘটে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাসটির ফিটনেস এবং ইনসুরেন্স সংক্রান্ত কাগজপত্র নিয়ে সমস্যা রয়েছে।
জানতে চাইলে চৌগাছা উপজেলার নির্বাহী অফিসার-ইউএনও নার্গিস পারভীন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বাসটি হেলপার চালাচ্ছিল। ড্রাইভারের চৌগাছা থেকে ওঠার কথা ছিল।
তিনি আরও বলেন, রাতে যশোরের জেলা প্রশাসক ড. হুমায়ুন কবীর এসেছিলেন। হেলপার গাড়ি চালাচ্ছিল- এ বিষয়টি তিনি জেনেছিলেন। তিনি মোবাইল কোর্ট পরিচালনার বিষয়ে বলেছেন। সংশ্লিষ্ট বাসের মালিক এবং ড্রাইভারের বিরুদ্ধে তিনি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) রাত সোয় ৯টার দিকে যশোরের চৌগাছা-পুড়াপাড়া সড়কের দানবাক্স এলাকায় পিকনিকের বাস উল্টে দুই ছাত্রী, এক শিক্ষক এবং বাসের হেলপার মারা যান। এসময় আহত হয় তিনজন। তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। বাসটিতে চৌগাছার রামকৃষ্ণপুর হাইস্কুলের পিকনিকগামী শিক্ষার্থীরা ছিল। তারা দিনাজপুরের স্বপ্নপুরীতে যাচ্ছিল।
/এআর/