তিনি আরও বলেন, ‘দুর্নীতিবাজদের চিহ্নিত করতে জনগণকে সোচ্চার হতে হবে। জনগণকে তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। দুর্নীতি দমন কমিশনের হটলাইন ১০৬ নম্বরে ফোন করে অভিযোগ দেওয়া যাবে।’
আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘এক সপ্তাহের মধ্যে প্রত্যেক সরকারি দপ্তরে সিটিজেন চার্টার প্রকাশ্যে টাঙাতে হবে। তা না করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে শুনানিতে বিশেষ অতিথি ছিলেন দুদক প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক (প্রতিরোধ) কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান, দুর্নীতি দমন কমিশন খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ড. আবুল হাসান, যশোরের পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি যশোর শাখার সাধারণ সম্পাদক বিনয় কৃষ্ণ মল্লিক, সদস্য জাহিদ হাসান টুকুন। শুনানি সঞ্চালনা করেন জেলা প্রশাসক ড. হুমায়ুন কবীর।
শুনানিতে ৪১ নাগরিক বিভিন্ন দপ্তরের বিরুদ্ধে হয়রানি ও অনিয়মের অভিযোগ করেন।
/বিটি/
আরও পড়ুন:
সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ২১ মার্চ