সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. রাশিদ আসকারির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। একইসঙ্গে ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের এফ ইউনিটে ভর্তি হওয়া একশ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করা হয়েছে। প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত গণিত বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র মনোজিৎ মণ্ডলকে আজীবন বহিষ্কার এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী আলাউদ্দিন আলাল ও সাইফুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া পিএইচডি সংক্রান্ত জটিলতায় ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সভাপতি মো. আসাদুজ্জামানকে তার পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ৭ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ফলিতবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদভুক্ত ‘এফ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পর প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় গত ২৫ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গণিত বিভাগের শিক্ষক এস এম মোস্তফা কামালকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত কমিটি প্রশ্নপত্র ফাঁসের সত্যতা পায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. রাশিদ আসকারির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।
/বিএল/
আরও পড়ুন:
শাস্তি মওকুফের পরও কাজে যোগ দেননি বগুড়ার ইন্টার্ন চিকিৎসকরা