চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার ৫ দিনের মাথায় চিত্রা সেতুতে ফাটল

চিত্রা নদীর ওপর সেতুতে ফাটলজনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার পাঁচ দিনের মধ্যেই ফাটল সৃষ্টি হয়েছে নড়াইল শহরের পাশেই চিত্রা নদীর ওপর নির্মিত দ্বিতীয় চিত্রা সেতুতে। প্রায় ২৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সেতুর পশ্চিম প্রান্তে সেতুর মূল পাটাতনে ফাটল দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) সকাল থেকেই এ ফাটল দেখা যায়। এর আগে গত ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে যান চলাচলসহ জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হয় চিত্রা সেতু।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধানে নড়াইল শহরের সাবেক ফেরিঘাট এলাকায় ২৮ কোটি ২০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। আগামী ৩০ এপ্রিল চিত্রা সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ২৬ মার্চ সেতুটি উন্মুক্ত করা হয়। নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক মাস আগে দ্বিতীয় চিত্রা সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হয়।  চিত্রা নদীর ওপর সেতুতে ফাটল

সেতুটি চালুর ফলে নড়াইল শহরের সঙ্গে লোহাগড়া ও কালিয়া উপজেলাবাসী এবং প্রতিবেশী জেলা গোপালগঞ্জ ও যশোরসহ ঢাকার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হয়েছে। তবে হঠাৎ করে ফাটল দেখা দেওয়ায় নির্মাণ কাজের ক্রটির অভিযোগসহ আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

এলজিইডি বিভাগের নড়াইলের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু ছায়েদ জানান, ‘সেতুর উপরিভাগের এ ফাটল তেমন কিছু নয়। এটি মূল ঢালাইয়ের ফাটল নয়। এতে কোনও সমস্যা হবে না।’

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৩০ এপ্রিল সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। তবে নির্ধারিত সময়ের আগে ২৬ মার্চ যানবাহন চলাচলের জন্য সেতুটি উন্মুক্ত হয়েছে। সেতুর মূল দৈর্ঘ্য ১৪০ মিটার। এর বাইরে দুই পাশে ফ্লাইওভারের মতো দেখতে ভায়াডাক্টের দৈর্ঘ্য ২৩৭ দশমিক ৫০ মিটার। সেতুর প্রস্থ ৫ দশমিক ৪৬ মিটার বা ১৮ ফুট। পানির স্তর থেকে সেতুর উচ্চতা ৭ মিটার। দুই পাশে অ্যাপ্রোচ সড়ক আছে ৪৩১ মিটার। ঢাকার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স এমবিইএল-ইউডিসি (জেভি) সেতুটি নির্মাণ করেছে।

/এফএস/

আরও পড়ুন-

বড়হাটে চলছে 'অপারেশন ম্যাক্সিমাস'

কোটবাড়ীতে শুরু ‘অপারেশন স্ট্রাইক আউট’