স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধানে নড়াইল শহরের সাবেক ফেরিঘাট এলাকায় ২৮ কোটি ২০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। আগামী ৩০ এপ্রিল চিত্রা সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ২৬ মার্চ সেতুটি উন্মুক্ত করা হয়। নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক মাস আগে দ্বিতীয় চিত্রা সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
সেতুটি চালুর ফলে নড়াইল শহরের সঙ্গে লোহাগড়া ও কালিয়া উপজেলাবাসী এবং প্রতিবেশী জেলা গোপালগঞ্জ ও যশোরসহ ঢাকার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হয়েছে। তবে হঠাৎ করে ফাটল দেখা দেওয়ায় নির্মাণ কাজের ক্রটির অভিযোগসহ আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
এলজিইডি বিভাগের নড়াইলের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু ছায়েদ জানান, ‘সেতুর উপরিভাগের এ ফাটল তেমন কিছু নয়। এটি মূল ঢালাইয়ের ফাটল নয়। এতে কোনও সমস্যা হবে না।’
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৩০ এপ্রিল সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। তবে নির্ধারিত সময়ের আগে ২৬ মার্চ যানবাহন চলাচলের জন্য সেতুটি উন্মুক্ত হয়েছে। সেতুর মূল দৈর্ঘ্য ১৪০ মিটার। এর বাইরে দুই পাশে ফ্লাইওভারের মতো দেখতে ভায়াডাক্টের দৈর্ঘ্য ২৩৭ দশমিক ৫০ মিটার। সেতুর প্রস্থ ৫ দশমিক ৪৬ মিটার বা ১৮ ফুট। পানির স্তর থেকে সেতুর উচ্চতা ৭ মিটার। দুই পাশে অ্যাপ্রোচ সড়ক আছে ৪৩১ মিটার। ঢাকার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স এমবিইএল-ইউডিসি (জেভি) সেতুটি নির্মাণ করেছে।
/এফএস/
আরও পড়ুন-