বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) ভোরে কেশবপুর উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের দেউলির মোড়ে রাস্তার ওপর এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটারগান, দুটি রাম দা ও রশি (দড়ি) উদ্ধার করেছে।
ইউনুছ হোসেন সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার মণিপুর গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে। আর আহত ব্যক্তি হলেন আশরাফ হোসে কেশবপুরের দেউলি গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে ও স্থানীয় যুবলীগ কর্মী।
কেশবপুর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম শহিদ বলেন, ‘পুলিশ খবর পায় দেউলি মোড়ে দুই দল ডাকাতের মধ্যে গোলাগুলি চলছে। এ সময় পুলিশ সেখানে হাজির হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতদের প্রায় সবাই পালিয়ে যায়। পরে সেখানে আহত অবস্থায় দুইজনকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক ইউনুসকে মৃত ঘোষণা করেন।’
এদিকে বন্দুকযুদ্ধ, হত্যা ও অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় কেশবপুর থানায় তিনটি মামলা হয়েছে বলে জানান থানার ওসি।
কেশবপুর থানা পুলিশ বলছে, নিহত ইউনুছের বিরুদ্ধে ডাকাতি, অস্ত্র ও হত্যা মামলা রয়েছে। আর আহত আশরাফের বিরুদ্ধে একটি ডাকাতি ও একটি অস্ত্র মামলা আছে।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার মো. আব্দুর রশিদ বলেন, গুলিবিদ্ধ ইউনুছ হাসপাতালে আনার আগেই মারা গেছে।
হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের বিশেষজ্ঞ ডা. মো. মোসলেম উদ্দিন বলেন, আহত আশরাফের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে তিনি আশঙ্কামুক্ত।
/এআর/