মণিরামপুরে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত দুই

মণিরামপুরে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত দুইযশোরের মণিরামপুরে বালুভর্তি ট্রাক ও একটি পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষ তাপস কুণ্ডু (৩০) ও কায়েদী আজম বিশ্বাস (১৭) নামে দু’জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছে সজল (১৭) নামের এক তরুণ।

শুক্রবার (৫ মে) সকাল সাড়ে ৫টার দিকে যশোর-চুকনগর সড়কের মণিরামপুর উপজেলার চালকিডাঙ্গা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত সজলকে যশোর সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। পুলিশ ট্রাকটি আটক করেছে।

নিহত তাপস কুণ্ডু পিকআপের চালক। তিনি ডুমুরিয়ার বরুনা গ্রামের বিনয় কুণ্ডুর ছেলে। কায়েদী আজম একই এলাকার মাজিদুল ইসলামের ছেলে। সে এবার স্থানীয় চুয়াডাঙ্গা হাইস্কুল থেকে এসএসসি পাশ করেছে। আহত সজল একই এলাকার মুজাফফার বিশ্বাসের ছেলে। সেও এবার চেচুড়িয়ার আন্তর্জাতিক কারিগরি বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে এসএসসি পাশ করেছে। বৃহস্পতিবার তাদের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়।

নিহতদের স্বজন, মণিরামপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, কায়েদী আজমের মামা ফেরদৌস একটি বিস্কুট কোম্পানির যশোর প্রতিনিধি। তিনি তার ব্যবহৃত মালামাল ডুমুরিয়ায় বাড়িতে পাঠাবেন। এজন্য শুক্রবার ভোরে পিকআপ ভাড়া করে কায়েদী তার বন্ধু সজলকে সঙ্গে নিয়ে যশোরে যাচ্ছিলো। তাদের বহনকারী পিকআপটি মণিরামপুরের চালকিডাঙ্গা বাজারে পৌঁছুলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বালুভর্তি ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই কায়েদী আজমের মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে মণিরামপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল তাদের উদ্ধার করে মণিরামপুর হাসপাতালে আনে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাপস মারা যান।

মণিরামপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জহিরুল হক বলেন, ‘কায়েদী আজমকে মৃত অবস্থায় পেয়েছি। তাপসকে হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসারত অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। অনেক রক্তক্ষরণ ও মাথায় আঘাতজনিত কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে।’

আহত সজলের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মাথায় আঘাত লাগায় তার বমি হচ্ছে। তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে বলে জানান ডা. জহিরুল হক।

মণিরামপুর থানার এসআই ফিরোজ জানান, ট্রাকটি থানায় আটক আছে। ক্ষতিগ্রস্ত পিকআপটিও উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে।

/এফএস/ 

আরও পড়ুন- 
পরীক্ষা ও মূল্যায়ন পদ্ধতি সংস্কারে সুফল দেখছেন শিক্ষাবিদরা