ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় বজরাপুর এলাকায় নিহত দুই জঙ্গির একজনের নাম জানা গেছে। তার নাম তুহিন। মহেশপুর থানার ওসি আহমেদ কবীর একথা জানিয়েছেন। আরেক জঙ্গির নাম-পরিচয় জানা যায়নি। ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করছেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি দিদার আহমেদ। পরিদর্শন শেষে অভিযান এবং আস্তানা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে বজরাপুরের একটি বাড়ি শনিবার রাত থেকে ঘিরে রাখে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট, পিআইবি, র্যাব, এনএসআই-এর সদস্যরা।
ডিআইজি দিদার আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ভেতরে দুই জঙ্গি আত্মঘাতী হয়েছে। তাদের লাশ বাড়ির বারান্দায় ফেলে রাখা হয়েছে। জঙ্গিদের ঘটানো বিস্ফোরণে সিটিটিসির এক কর্মকর্তাসহ পুলিশের তিন কর্মকর্তা আহত হয়েছেন।
ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার মীজানুর রহমান জানান, সিটিটিসির অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার নাজমুল হাসান, ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের এসআই মহসিন আলী ও কনস্টেবল মুজিবুর রহমান আহত হয়েছেন। জনসাধারণের চলাফেরা নিয়ন্ত্রণ করতে বাড়িটির ২০০ গজের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। ঢাকা থেকে বোম্ব ডিসপোজাল টিম ঝিনাইদহের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, বজরাপুর এলাকার এই বাড়ির মালিক জহুরুল ইসলাম, তার ছেলে জসিম, ভাড়াটিয়া আলমগীর হোসেন ও তাদের প্রতিবেশী আতিয়ারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ডিআইজি আরও জানান, বজরাপুরের পাশাপাশি সদর উপজেলার লেবুতলায়ও একটি পরিত্যক্ত জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে কিছু বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. ইউসুফ আলী বাংলা ট্রিবিউনকে আরও জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের জঙ্গি আস্তানায় আবু আলীকে খুঁজতে গিয়ে ঝিনাইদহে এই দুই আস্তানার খবর পাওয়া গেছে।
/এসটি/
আরও পড়ুন:
ঝিনাইদহে জঙ্গি আস্তানায় দুই জঙ্গি আত্মঘাতী