দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে দ্বিতীয় লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট (এলজিএসপি) এর আওতায় ৫টি প্রকল্পের অধীনে জেলার লোহাগড়া উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নে ৯ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৩ টাকা বরাদ্দ করা হয়। বরাদ্দকৃত প্রকল্পের মধ্যে বসুপটি গ্রামে ১৬০ দশমিক ৮ মিটার রাস্তায় ইট বসানোর জন্য ১ লাখ ৮৮ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। ইউপি সচিব নূরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক ও ইউপি চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান ৬৭ হাজার ৪৪৫ টাকার কাজ করান। বাকি ১ লাখ ২০ হাজার ৫৫৫ টাকা তারা আত্মসাৎ করেন।
একই ইউপির শালবরাত গ্রামে রাস্তা নির্মাণে ১ লাখ ৮৮ হাজার টাকার মধ্যে ৬৮ হাজার ৭৪ টাকার কাজ হয়। বাকি টাকা ইউপি সচিব নূরুল ইসলাম ও ঠিকাদার পিকুল আত্মসাৎ করেন।
কাশিপুর ঈদগাহ থেকে ইসমাইল খার বাড়ি অভিমুখে রাস্তার দু’পাশে মাটি দ্বারা উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪০৯ টাকা। ইউপি সচিব নূরুল ইসলাম ও প্রকল্প সভাপতি এস এম আলমগীর কবির ওই টাকা আত্মসাৎ করেন।
এড়েন্দা আদিবাসী পাড়া থেকে ফুটবল মাঠ অভিমুখে রাস্তা ইটের সোলিং বসানোর কাজে ১ লাখ ২৬ হাজার ৭২৪ টাকা আত্মসাৎ করেন ইউপি সচিব নূরুল ইসলাম ও জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ঠিকাদার মঞ্জুরুল করিম মুন।
ধোপাদাহ গ্রামের একটি রাস্তায় ইটের সোলিং বসানোর কাজে বরাদ্দকৃত ১ লাখ ৮৮ হাজার টাকার মধ্যে ৪৪ হাজার ৩০৭ টাকা আত্মসাত করেছেন ইউপি সচিব নূরুল ইসলাম ও ধোপাদাহ গ্রামের ঠিকাদার ইবাদুল শেখ।
পাঁচটি প্রকল্পে মোট ৫ লাখ ৪৮ হাজার ৯৭৪ টাকা আত্মসাত করা হয়েছে। এ ছাড়াও চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে জিআর, টিআর, কাবিখা, কাবিটা প্রকল্প ও ভিজিএফ এর চাল আত্মসাতের তদন্ত দুদকে চলমান রয়েছে।
লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর আলম থানায় ৫টি মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
/বিএল/