তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগরে জলোচ্ছ্বাস ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় জেলে ও বনজীবীদের একমাত্র আশ্রয়স্থল ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র। অথচ সুন্দরবনে আশ্রয়কেন্দ্র মাত্র পাঁচটি। তাও একটি ব্যবহার অনুপযোগী। আর গত ৮ বছরেও কোনও আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ বা সংস্কারও করা হয়নি। এতে সেখানকার জেলে, বনজীবী ও পর্যটকরা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।
সুন্দরবনের কাছে মংলা উপজেলার চিলা ইউনিয়নের মৎস্য ব্যবসায়ী মো. কাজল বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, জেলেদের জন্য কমপক্ষে ৫০টি আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন করা প্রয়োজন।
৯০’ দশকে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কারিতাসের সহায়তায় সুন্দরবনে নির্মিত আশ্রয়কেন্দ্রগুলো হলো পূর্ব সুন্দরবনের দুবলারচর, শেলার চর, মাঝের চর, মেহেরআলীর চর ও আলোরকোল আশ্রয়কেন্দ্র।
জাতীয় মৎস্য সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, সুপার সাইক্লোন সিডর, আইলা, মহাসেনের মত ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের মধ্যে তাদের জীবন-জীবিকার জন্য লড়তে হয়েছে। সিডর পরবর্তী গত ৮ বছরেও কোনও আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ ও সংস্কার না করায় দু-একটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
পশুর নদীর ওয়াটার কিপার নুর আলম শেখ জানান, প্রতি বছর বনের খালগুলোতে মাছ ধরতে এবং শুঁটকি মৌসুমে সুন্দরবন ও বঙ্গোপসাগর এলাকায় লক্ষাধিক জেলে জীবিকার জন্য নিয়োজিত হয়। প্রতি মৌসুমে সরকার জেলেদের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করলেও দুর্গম ওইসব চরাঞ্চলে জেলে-বনজীবীদের জন্য নেই আশ্রয়কেন্দ্র।
/এনআই/বিএল/