মো. হুমায়ূন কবীর বলেন, ‘কেএমপির গোয়েন্দা বিভাগ ফরহাদ মজহারের বিষয়ে তথ্য উদঘাটনে কাজ করে যাচ্ছে।’
নাগরিকদের নিরাপত্তা বিধান ও অপরাধী গতিবিধি শনাক্ত করাসহ সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ২০১৫ সালের জুন মাসে খুলনা মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসি টিভি ক্যামেরা স্থাপন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরবর্তীতে এক বছর ধরে কাজ করার মাধ্যমে ৮৮টি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। মহানগরীর ৮টি থানা ভবনকে ঘিরেও সিসি টিভি ক্যামেরা রয়েছে। কিন্তু যথাযথ মনিটরিং ও সংরক্ষণ ব্যবস্থা না থাকার কারণে ক্যামেরাগুলো অকেজো হয়ে পড়ে।
প্রসঙ্গত, সোমবার (৩ জুলাই) ভোরে ঢাকার নিজ বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হন ফরহাদ মজহার। এ ঘটনার পর বিকালে তিনি অপহরণ হয়েছে বলে জানিয়ে রাজধানীর আদাবর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন তার স্ত্রী মানবাধিকার কর্মী ফরিদা আখতার।
এ অভিযোগের পর ফরহাদ মজহারের সন্ধানে তার ব্যবহৃত মোবাইল ট্র্যাকিং করতে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। মোবাইল ট্র্যাকিংয়ে প্রথমে মানিকগঞ্জের দৌলতদিয়ায় তার অবস্থান জানা যায়। এরপর ফরিদপুর ও মাগুরায় তার অবস্থান পাওয়া যায়। সবশেষে খুলনা শহরের কেডিএ অ্যাপ্রোচে তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এ অবস্থায় সন্ধ্যা ৬টা থেকে র্যা ব-৬ ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থা খুলনার কেডিএ অ্যাপ্রোচ রোড ও শিববাড়ি ইব্রাহিম মিয়া সড়কে অভিযান শুরু করে। অভিযানের এক পর্যায়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার অবস্থান শনাক্ত করে গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তাকে যশোরের নওয়াপাড়া থেকে উদ্ধার করা হয়। র্যা ব-পুলিশের যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে তাকে বাস থেকে নামিয়ে আনে। এরপর ফরহাদ মজহারের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাটি অপহরণ নয় বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি দিদার আহমেদ ও র্যা ব -৬ এর অধিনায়ক খন্দকার রফিকুল ইসলাম।
/এআর/