বেনাপোলে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার

বেনাপোল-পেট্রাপোল গেটগ্রিনলাইন পরিবহনের অফিস ভাঙচুর ও তাদের তিন কর্মীকে মারধরের অভিযোগে যশোরের বেনাপোলে ডাকা অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। দুই পক্ষের আলোচনায় ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে অপরাধ স্বীকার করা এবং ক্ষমা চাওয়ায় পরিবহন শ্রমিকরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেয়।


এর আগে শনিবার সকালের দিকে বেনাপোলের প্রধান সড়কের ওপর পরিবহন ব্যারিকেড দিয়ে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে বিক্ষোভ মিছিল করে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। ফলে শতশত পাসপোর্ট যাত্রী আটকা পড়ে বেনাপোল চেকপোস্টে। এ সময় বন্ধ থাকে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য।
উল্লেখ্য, শুক্রবার (৭ জুলাই) বিকালে জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনকে সফল করার লক্ষে বেনাপোল পৌর মেয়র সমর্থিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বেনাপোল বন্দরে মিছিল বের করে। মিছিলটি যখন বেনাপোল পরিবহন স্ট্যান্ডে আসে, সে সময় গ্রিনলাইন পরিবহনের একটি বাসের বক্সে যাত্রীদের লাগেজ ওঠাচ্ছিলেন মোহন (৩৫) নামে একজন শ্রমিক। এসময় ছাত্রলীগ কর্মীদের সঙ্গে তার সামান্য কথাকাটির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে মোহনকে বেধড়ক মারধর করে। পরে ছাত্রলীগ কর্মীরা বিজিবি ক্যাস্পের সামনে গ্রিনলাইন পরিবহন কাউন্টার ভাঙচুর করে। তারই প্রতিবাদে ও হামলাকারীদের পুলিশ না ধরা পর্যন্ত বেনাপোল থেকে সব ধরনের পরিবহন বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন শ্রমিকরা।
বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অপূর্ব হাসান বলেন, ‘ঘটনাটি দুঃখজনক। পরিবহন শ্রমিকরা কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শ্রমিক সংগঠন ও পরিবহন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বসে বিষয়টি সুরাহা হওয়ায় বাসসহ সব প্রকার পরিবহন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে এবং আমদানি-রফতানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
/এআর/