নিহত সোবাহান আলী কুমারখালী উপজেলার মনোহরপুর এলাকার নুর উদ্দিনের ছেলে এবং হাসানুজ্জামান লালন গাংনীর মনোহরদিয়া গ্রামের আলীম উদ্দিনের ছেলে।
কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) জয়নুল আবেদীন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, কুষ্টিয়া শহরের বাড়াদী এলাকায় একদল ডাকাত ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার ভোর ৪টার দিকে কুষ্টিয়া গোয়েন্দা পুলিশ ও মডেল থানা পুলিশ বাড়াদীর ভাগারের গোরস্থান সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে ডাকাত দল পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুড়লে ঘটনাস্থলে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য সোবাহান আলী নিহত হয়। এ সময় তার সঙ্গীরা পালিয়ে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি দেশীয় তৈরি শার্টারগান, দুই রাউন্ড গুলি ও করাত উদ্ধার করে। সোবাহানের বিরুদ্ধে কুমারখালী, রাজবাড়ী, ঈশ্বরদী কুষ্টিয়া মডেল থানায় আটটি মামলা রয়েছে। এ সময় মডেল থানার চার পুলিশ সদস্য আহত হয়।
তিনি আরও জানান, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে হাসানুজ্জামান লালন (৩৫) নামে এক ডাকাত নিহত হয়। বুধবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন ভেড়ারামার দশমাইল নামক স্থানে একদল ডাকাত ডাকাতি করছে। এ সময় ভেড়ামারা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সেখানে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের আরেক সদস্য হাসানুজ্জামান লালন নিহত। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি শর্টারগান, এক রাউন্ড গুলি ও করাত উদ্ধার করা হয়। নিহত হাসানুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। বন্দুকযুদ্ধে ভেড়ামারা থানার তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।
/এআর/