কুষ্টিয়ায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় নসিমনের দুই যাত্রী হালিমা খাতুন (৪০) ও আব্দুল্লাহ (৪৫) নিহত হয়েছেন। এ সময় অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। সোমবার রাতে সদর উপজেলার কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের লক্ষীপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। কুষ্টিয়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) বিশ্বজিৎ কুমার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত হালিমা খাতুন কুষ্টিয়ার সোনাইডাঙা গ্রামের বাসিন্দা এবং অপরজন কুমারখালী উপজেলার নিয়ামত বাড়ীয়ার সিরাজুল ইসলামের ছেলে।
পুলিশ জানায়, খুলনা থেকে কুষ্টিয়াগামী যাত্রীবাহী গড়াই পরিবহনের একটি বাস কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার লক্ষীপুরে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রী বোঝাই নসিমনের সঙ্গে ধাক্কা লাগে । এতে নসিমনে থাকা ১৩ যাত্রী গুরুতর আহত হয়। এলাকাবাসী তাদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করলে রাতেই হালিমা খাতুন ও আব্দুল্লাহ নামের দু’জনের মৃত্যু। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তর করা হয়েছে। অন্যদের কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
কুষ্টিয়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) বিশ্বজিৎ কুমার বলেন, ‘হতাহত সবাই নসিমনের যাত্রী ছিলেন।’
/জেবি/
আরও পড়তে পারেন: রেলের ধাক্কায় ১২ বাসযাত্রী নিহত: তিন বছর পার হলেও উচ্ছেদ হয়নি অবৈধ স্থাপনা