তিনি বলেন, ‘বাঘ বিধবাদের জন্য সহায়তা থাকা দরকার। তাদের আশ্রয়ণে বরাদ্দ দেওয়া যায়। বাঘ বিধবাদের সমস্যা দূর করার জন্য সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা যেন মাথা গোঁজার ঠাঁই পায় সেজন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
খুলনা বিভাগীয় কমিশনার আব্দুস সালাম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকেও এ মন্তব্য করেন।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বাঘ বিধবাদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য আমার দ্রুত কিছু একটা করবো। তাদের চাহিদা অনুযায়ী ঘর তৈরি করা এবং যাদের কর্মস্থানের দরকার তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবো। তাদের চাহিদা অনুযায়ী ব্যবস্থা করা হবে।’
এ বিষয়ে শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. কামরুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিভাগীয় কমিশানর স্যারের মন্তব্য দেখেছি। সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় বসবাসরত বাঘ বিধবাদের পুনর্বাসনে দ্রুত কাজ করবো। আশ্রয়ন প্রকল্পে তাদের যেভাবে থাকার সুযোগ সুবিধা দেওয়া যায় শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করবো।’
আরও পড়ুন: ‘বাঘ বিধবা’দের ঠাঁই নেই শ্বশুরবাড়িতে
/এআর/