পরিদর্শন টিম সূত্রে জানা গেছে, দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার (তদন্ত) এ এফ এম আমিনুল ইসলাম দুপুরে সরাসরি কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার অফিসে ঢুকে হাজিরা খাতা পরিদর্শন করেন। সে সময় হাসপাতালে কর্মরত ৯ জন ডাক্তারের মধ্যে হাজিরা খাতায় ডা. রিফাত জাহান, ডা. মাহফুজুল আলম সোহাগ, ডা. আলাউদ্দীন, ডা. সম্পা মোদক, ডা. অরুন কুমার দাসকে অনুপস্থিত দেখেন। এদের মধ্যে অরুন কুমার দাস ছুটিতে, ডা. আলাউদ্দীন ডেপুটেশনে ঝিনাইদহে, ডা. সোহাগ নাইট ডিউটি করেছেন বললেও বাকিদের ব্যাপারে উপস্থিত ডাক্তাররা কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি। পরে ডা. সম্পা মোদককে ডেকে আনলে তিনি সেই সময় হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন। এছাড়া ছুটি নেওয়া ডাক্তার অরুন কুমার দাসের ছুটির আবেদন দেখতে চাইলে সেই আবেদনে শুভংকরের ফাঁকি দেখতে পান। আবেদনে আজ মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) থেকে ছুটি শুরু হলেও কবে শেষ হবে তার উল্লেখ নাই।
এসব ব্যাপারে কমিশনার (তদন্ত) উপস্থিত ডাক্তার ও নার্সদের প্রশ্ন করলে তারা কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি। রোগীদের ময়লা বেড কেন দেওয়া হয়েছে এবং সেগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন নেই কেন জানতে চাইলে তারও কোনও উত্তর দিতে পারেননি। তিনি ওষুধের স্টোর রুম পরিদর্শন করেন এবং ওষুধ রোগীদের না দিয়ে বাইরে বিক্রি করে দেন কিনা সে ব্যাপারেও জানতে চান?
এ ব্যাপারে দুর্নীতি দমন কশিননের যশোর আঞ্চলিক সমন্বিত অফিসের ডিপুটি ডিরেক্টর জাহিদ হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, পরিদর্শন টিম বেশ কয়েকজন ডাক্তারকে অনুপস্থিত পেয়েছেন। এছাড়া বেশ কয়েকজন ডা. নিয়মিত অফিস করেন না বলে প্রাথমিক তদন্তে ধরা পড়েছে। তাদের তদন্ত রিপোর্টের একটি কপি স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ে পাঠানো হবে। তদন্ত রিপোর্টে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওেয়ার সুপারিশ থাকবে বলে তিনি জানান।
/বিএল/