মাগুরার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ১৪০ টাকা থেকে দেড়শ টাকায়। অথচ পাঁচ দিন আগেও এর দাম ছিল প্রতিকেজি ৮০ টাকা।
মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর মাগুরয় ৬,৮৯৩ হেক্টর জমিতে মরিচ আবাদ করা হয়েছে। মরিচ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১৩৮৯০ মেট্রিক টন। এই লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে মরিচের উৎপাদন বেশি হয়েছে বলেই জানিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর।
সদর উপজেলার দড়িমাগুরার কৃষক ওলিয়ার রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এ বছর মরিচের উৎপাদন ভালো হয়েছে। খুচরা বাজারে কেন মরিচের দাম বেড়ে গেল, বুঝলাম না। এক সপ্তাহ আগে পাইকারি বাজারে মরিচ বিক্রি করেছি ৫০ টাকা কেজিতে। তখন খুচরা বাজারে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে মরিচ। এখনও আমি পাইকারি বাজারে বিক্রি করছি ৫৫ টাকা কেজিতে। কিন্তু খুচরা বাজারে এর দাম দেড়শ টাকা হয়ে গেছে।’
মাগুরা ঢাকা রোড পাইকারি বাজারের ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘প্রচুর বৃষ্টি হয়েছে, তাই মরিচের দর বেশি। আমাদের কিছু করার নেই।’
শহরের থানাপাড়ার বাসিন্দা অসিত সাহা বলেন, ‘আমি তো প্রায়ই গ্রামে যাই। এবার বৃষ্টির পরিমাণ বেশি হলেও মরিচের উৎপাদন অনেক ভালো দেখেছি। কিন্তু বাজারে গিয়ে তো মরিচে হাত দেওয়ায় কঠিন হয়ে পড়েছে। ব্যবসায়ীরা কৌশলে মরিচের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। তাছাড়া মরিচের দাম এত বেশি হওয়ার আর কোনও কারণ নেই।’
পুরাতন বাজারের ক্রেতা জাহানারা বেগম বলেন, ‘মরিচ ছাড়া তো রান্না হবে না। তাই দাম বেশি হলেও কিনতেই হচ্ছে আমাদের।’
মাগুরার মার্কেটিং অফিসার জাকির হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে মরিচের ক্ষেতের প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। তাই সারাদেশেই মরিচের দাম এখন বাড়তি। মাগুরাতে এর প্রভাব পড়াটা অস্বাভাবিক নয়। তবে আমরা জোর মনিটরিং চালিয়ে যাচ্ছি।’ খুব শিগগিরই মরিচের বাজার স্বাভাবিক হবে বলে আশাবাদ জানান তিনি।
/টিআর/