দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে রাজনৈতিক ও স্থানীয় কোন্দলকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই সূত্রটি ধরেই আপাতত তদন্ত কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় সন্দেহভাজন কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। কালিয়া থানা পুলিশের সহায়তা নিয়ে অপরাধীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিহতের স্ত্রী পলি বেগম জানান, দু’সন্তান নিয়ে তিনি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। বাড়িতে এসে দোতলার বেড রুমে ঘুমিয়ে থাকা স্বামীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এরপর ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেল। কিন্তু প্রশাসন কোনও অপরাধীকে ধরতে পারল না।
তিনি বলেন, ‘বাইরে খুন হলেও একটা সান্ত্বনা পাওয়া যেত। কিন্তু ঘরের মধ্যে থেকেও রক্ষা পেলেন না। মানুষতো এখন ঘরেও নিরাপদ নেই। এ অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের নিরাপদ ভাবা কঠিন।’
উল্লেখ্য, গত ২৬ আগস্ট ভোর রাত ৪টার দিকে সন্ত্রাসীরা খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার গাজিরহাটে বাসায় ঘুমন্ত অবস্থায় খুন হন নড়াইলের কালিয়া উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাহিদ হোসেন মোল্লা।
আরও পড়ুন: