সাতক্ষীরা শহরের রাজার বাগান এলাকার আবুল হোসেন জানান, সারা বছর তেমন কাজ না হলেও ঈদুল আজহার আগে ব্যস্ত সময় পার করতে হয়। এ সময়টিতে যারা কোরবানির পশু জবাই করেন তারা প্রত্যেকে চাপাতি, দা, বটি, ছুরি তৈরি করেন।
তিনি বলেন, কয়লাসহ অন্যান্য জিনিসপত্রের দাম বেশি কিন্তু ক্রেতারা বেশি দাম দিয়ে কিনতে চান না। সারাদিনে যা আয় হয় তা দিয়ে ঠিকমতো সংসার চলে না। কিন্তু কোরবানির ঈদের সময় এ আয় বেড়ে যায় কয়েকগুণ। আমরা সারা বছর অপেক্ষায় থাকি এই সময়টার জন্য।
শহরের সরকারি কলেজ মোড় এলাকার কামারি একাব্বর হোসেন বলেন, বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় কোরবানির ঈদের সময় কাজ বেশি হয়। লোহার দাম কম থাকলেও কয়লাসহ বিভিন্ন জিনিসপত্রের দাম বেশি। বছরের অন্যান্য সময়ের চেয়ে এ সময়টিতে কাজ বেশি হওয়ায় লাভ বেশি হয়।
তিনি জানান,পশু জবাই করা ছুরি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। মাংস কাটা ছুরি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা। চামড়া ছেলা ছুরি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা।
একাব্বর হোসেন বলেন, বাপ-দাদারা এই পেশায় ছিলেন। আমাদের কামারি কাজ শিখিয়ে গেছেন। শত কষ্ট হলেও অন্য পেশায় যাওয়ার সুযোগ নেই।