রোহিঙ্গারা সবাই সোনাগাজী উপজেলার চর দরবেশ ইউনিয়নের চর সাহাভিকারী গ্রামে (১ নং ওয়ার্ড) মাতাব্বর বাড়িতে এসে আশ্রয় নিয়েছেন। ওই বাড়ির সিরাজুল আগত রোহিঙ্গা জাফরের ভায়রা। সিরাজ ৭ বছর আগে রাখাইন রাজ্যে গিয়ে বিয়ে করেন।
সোনাগাজী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিনহাজুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে রোহিঙ্গাদের খোঁজ খবর নিতে ওই বাড়িতে যাই । তাদেরকে চিকিৎসা, নিরাপত্তাসহ সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
আগত রোহিঙ্গা পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে. গত মাসের ২৫ আগস্ট রাখাইন রাজ্য থেকে পায়ে হেঁটে চলতি মাসের ৯ সেপ্টেম্বর শনিবার বাংলাদেশ সীমান্তে আসেন তারা। ৯ সেপ্টেম্বর রাতে সোনাগাজী উপজেলার চর দরবেশ ইউনিয়নের চর সাহাভিকারী গ্রামে (১ নং ওয়ার্ড) মাতাব্বর বাড়িতে এসে তারা আশ্রয় নেন। জানাজানি হলে ১১ সেপ্টেম্বর সোমবার প্রশাসনের নজরে আসে বলে জানিয়েছেন ইউএনও ।
১৩ সদস্য পরিবারের অভিভাবক মোহাম্মদ জাফর আহম্মদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমার দুই মেয়েকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আরেক মেয়ের কোনও খোঁজ পাইনি। আমাদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জাফর আরও বলেন, রাখাইন রাজ্য থেকে জঙ্গল, নদী, পাহাড় অতিক্রম করে বাংলাদেশে এসেছি জীবন বাচাঁতে। ১৪ দিন পানি খেয়ে জীবন বাঁচাতে হয়েছে। ঘুমাতে পারিনি। শিশুদেরকে কোলে করে টানা ১৪ দিন হাঁটতে হয়েছে।