নিহত দুই ব্যক্তির নাম কামরুল হাসান ঝড় (৫০) ও ইদ্রিস আলী ইদে (৫৬)। অসুস্থ হয়ে গোপনে চিকিৎসা নিচ্ছেন মোসলেম আলী (৫৫), মোমরেজ (২৬) ও আরিফুল ইসলাম (৩০)।
এলাকাবাসী জানায়, শাখারীপোতা বাজারের দক্ষিণ পাশে টিনের ঘরে কবিরাজ মহিউদ্দিনের হয়রত খানজাহান হোমিও অ্যান্ড হারবাল চিকিৎসালয়ে বিষাক্ত অ্যালকোহল পান করার ঘটনা ঘটে। বিষক্রিয়ায় শাখারীপোতা গ্রামের ফতরী মোড়লের ছেলে ইদ্রিস আলী ইদে ২ অক্টোবর মারা যান। পরের দিন একই গ্রামের জগত আলীর ছেলে কামরুল হাসান ঝড় মারা যান। মৃতের চাচা শফি উদ্দিন জানান ঝড়ের মৃত্যু স্বাভাবিকভাবেই হয়েছে। তবে শাখারীপোতা বাজার কমিটির সেক্রেটারি রেজাউল ইসলাম চান্দু বলেন, মহিউদ্দিন কবিরাজের দোকান থেকে অ্যালকোহল পানে বিষক্রিয়ায় এদের মৃত্যু হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে মহিউদ্দিন এই বাজারে ডাক্তারি করছেন। তবে গত দেড় মাস আগে থেকে সে অ্যালকোহল বিক্রি শুরু করেছে বলে আজ জেনেছি। তার এই অ্যালকোহল বিক্রির জন্য ১০/১২ জন সেলসম্যান রয়েছে এবং গোপনে প্রায় তিন থেকে চারশ ব্যক্তির কাছে এটা বিক্রি করে থাকে। ঘটনার পর থেকে মহিউদ্দিন কবিরাজের দোকান বন্ধ রয়েছে।’
ঘটনার সত্যতা যাচায়ের জন্য মহিউদ্দিন কবিরাজের সাইন বোর্ডে লেখা দুটি মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এ ব্যাপারে বাহাদুরপুর ইউপি সদস্য লুৎফর রহমান মিন্টু জানান, ‘আমি বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছি। তবে শুনেছি এলাকায় দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। সঠিক কারণ এলাকায় ফিরলে বলতে পারবো।’
বেনাপোল পোর্ট থানার ডিউটি অফিসার এএসআই শাহিন দুই জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। তবে তদন্তের পর অ্যালকোহল বিক্রির বিষয়ে জানা যাবে বলে জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন- আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও হকার নিয়ন্ত্রণকারীদের তালিকা দেননি মেয়র আরিফ